Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: এক বছর পর আবার সুপার কাপের ফাইনালে ইস্টবেঙ্গল। পাঞ্জাবকে ৩-১ গোলে হারিয়ে সুপার কাপ ফাইনালে লাল-হলুদ ব্রিগেড (East Bengal FC)।
সুপার কাপ ফাইনালে ইস্টবেঙ্গল (East Bengal FC)
এক বছর পর আবার ইস্টবেঙ্গল প্রবেশ করল সুপার কাপ ফাইনালে। বৃহস্পতিবার সুপার কাপের ফাইনালে পাঞ্জাব পঞ্জাব এফসি-কে ৩-১ গোলে হারিয়ে ফাইনালে উঠলো লাল-হলুদ শিবির। ইস্টবেঙ্গলের হয়ে গোল করলেন মহম্মদ রশিদ, কেভিন সিবিলে এবং সাউল ক্রেসপো। গোয়া বনাম মুম্বই ম্যাচের বিজয়ীর সঙ্গে ফাইনাল খেলবে ইস্টবেঙ্গল (East Bengal FC)।

ইস্টবেঙ্গল কোচ এ দিন পাঁচ বিদেশিকে নিয়ে মাঠে নামার ছক সাজান। শুরু থেকেই দুই দলের মধ্যে চেষ্টা চলছিল একে অপরকে চাপে ফেলার এবং দুই দলের শক্তি বুঝে নেওয়ার। লম্বা শটে খেলা চলছিল আর দুইবার আক্রমণে উঠেছিল পাঞ্জাব। তবে সেই সুযোগ হাতছাড়া হয় তাঁদের। ইস্টবেঙ্গলের দাপট কিছুটা হলেও বেশি দেখা যাচ্ছিল মাঠে। আর সেই আধিপত্যই ধরে রাখেন তাঁরা শেষ পর্যন্ত।

১২ মিনিটের মাথায় ইস্টবেঙ্গল দল কর্ণার পায়। বক্সে রাখা কর্নার পৌঁছে যায় রশিদের পায়ে। বক্সের বাইরে থেকে তাঁর নিচু শট জালে ঢুকতে কোনও ভুল করেনি। পাঞ্জাবের গোলকিপার শাবির চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত আটকাতে পারেননি। প্রথম গোলের স্বাদ যেন ইস্টবেঙ্গল দলের খিদে আরও বাড়িয়ে দিয়েছিল। আরও আক্রমণের ঝাঁঝ বাড়াতে থাকে লাল-হলুদ ব্রিগেড। তবে চিন্তা থাকল কোচ অস্কার ব্রুজোর লাল কার্ড নিয়ে। দ্বিতীয়ার্ধে অস্কারকে দেখা যায় গ্যালারি থেকে বসে দল পরিচালনা করতে।

আরও পড়ুন: Yudhajit De: বিশেষভাবে সক্ষম, রাষ্ট্রপতি পুরষ্কার পেলেন উত্তরপাড়ার যুধাজিৎ
দ্বিতীয়ার্ধের প্রথম থেকেই দাপুটে মেজাজে ছিলেন ইস্টবেঙ্গল দলের প্লেয়াররা। তারা পাস সংখ্যা বাড়িয়ে আক্রমণের চেষ্টা চালিয়ে যান। ৫৬ মিনিটের মাথায় মিগুয়েল থেকে মহেশ হয়ে বল যায় বিপিনের কাছে। তিনি ক্রস করেছিলেন হিরোশি ইবুসুকির উদ্দেশে। জাপানি ফুটবলারের হেড লাগে পোস্টে। ৭১ মিনিটে তৃতীয় গোল করে ইস্টবেঙ্গল। মিগুয়েল ছোট পাস বাড়িয়েছিলেন সাউলকে। স্পেনীয় ফুটবলার দূরপাল্লার শটে দলের জয় নিশ্চিত করে দলের। ম্যাচের শেষ ভাগে আক্রমণ আরও বাড়ায় ইস্টবেঙ্গল। তবে আর গোল করতে পারেনি অস্কার ব্রুজোর দল (East Bengal FC)।


