Last Updated on [modified_date_only] by Sumana Bera
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: পূর্ব মেদিনীপুর জেলার তমলুক থানার শ্রীরামপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের কিসমত গ্রাম। এখানেই থাকেন দিনমজুর গোপাল দিন্ডা। তিন সাড়ে বছর আগে এক ঝড়ের রাতে গোপালবাবুর বাড়ির সামনে গাছ থেকে পড়ে যায় দুটি টিয়া পাখির ছানা (Unbreakable Bond)। সেদিনই শুরু হয় এক অনন্য সম্পর্ক। মানুষ আর পাখির, রক্তের নয়, কিন্তু নিখাদ ভালোবাসার।
ঝড় থেকে তুলে এনে ঘরে ঠাঁই (Unbreakable Bond)
গোপালবাবু ছানাগুলোকে ঘরে তুলে আনেন। সন্তানের মতো করেই বড় করে তোলেন তাদের। নাম দেন, একজন সূর্য ও আরেকজন দীপা। দিনমজুরের ঘরে যা রান্না হয়, যা খান গোপালবাবু পরিবার ঠিক তাই-ই খায় সূর্য আর দীপা। আলাদা কোনও খাঁচা নেই, কোনও বন্দিত্ব নেই। তারা থাকে পুরোপুরি স্বাধীন।
আরও পড়ুন: Pollution: শীতের ঘাটতিতে বাড়ছে দূষণ, ভোরের বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’ কলকাতায়
সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, এই দুটি টিয়া কখনও গোপালবাবুকে ছেড়ে কোথাও উড়ে যায়নি (Unbreakable Bond)। বাজারে গেলে, আত্মীয়ের বাড়ি গেলে, এমনকি মাঠে কাজে গেলেও গোপালবাবুর কাঁধে কিংবা পাশে পাশে চলে সূর্য আর দীপা। যেন পরিবারেরই দুই সদস্য।
‘মা’-‘কাকু’ ডাকও শোনা যায় (Unbreakable Bond)
আর শুধু সঙ্গে থাকাই নয়, তারা কথা বলে। কখনও “মা”, কখনও “কাকু” বলে ডাক শোনা যায়। ফোন বেজে উঠলে, ওপার থেকে কেউ কথা বললে, তখন নিজের মতো করে বকবক শুরু করে দেয় সূর্য আর দীপা। গ্রামের মানুষজন থমকে দাঁড়িয়ে দেখে এই দৃশ্য।
আরও পড়ুন:Fishermen: ভারতীয় জলসীমায় বাংলাদেশি নৌসেনার জাহাজ: ভারতীয় ট্রলারে ধাক্কা নিখোঁজ ৫ মৎস্যজীবী
খাঁচায় নয়, ভালোবাসাতেই যে বন্ধন (Unbreakable Bond) তৈরি হয়, তার জীবন্ত প্রমাণ গোপাল দিন্ডা আর তার দুই টিয়া পাখি। বাড়িতে আরও দুটি শালিক পাখিও আছে তারাও মুক্ত ভাবে গোপাল বাবুর বাড়িতে বেড়ে উঠছে। আর গোপাল বাবুর পাখি গুলি কে দেখতে বাড়িতে ভিড় জমান গ্রামবাসি থেকে দূর দূরন্তের মানুষ জন।


