Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: জোড়াফুল শিবির ত্যাগ করে নিজস্ব আম (Humayun Kabir Controversy) জনতা উন্নয়ন পার্টি গড়ে তোলার পর থেকেই বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছেন হুমায়ুন কবীর। বাবরি মসজিদ গড়ে তোলা, বিজেপির সঙ্গে চুক্তির ‘এআই’ ভিডিও, মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ-প্রায় সবমিলিয়ে নির্বাচনের আবহে সংবাদ শিরোনামে সর্বদা হুমায়ুন বিরাজমান। আবারও বিতর্কের কেন্দ্রে হুমায়ুন।
অভিষেককে কুরুচিকর মন্তব্য (Humayun Kabir Controversy)
একটি ভিডিয়ো প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক (Humayun Kabir Controversy) চাপানউতোর। অভিযোগ উঠেছে, ওই বক্তব্যে তিনি তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগীকে উদ্দেশ করে কুরুচিকর ও আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন।
নির্বাচন কমিশনের কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (Humayun Kabir Controversy)
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সরব হয়েছে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস। দলটির পক্ষ থেকে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। শাসকদলের দাবি, একটি সাংবাদিক বৈঠকে হুমায়ুন কবীর যে ভাষা ব্যবহার করেছেন, তা শুধু অশালীন নয়, বরং গুরুতর অপরাধের সামিল। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, তাঁর বক্তব্যে নাকি প্রাণনাশের হুমকির ইঙ্গিতও রয়েছে, যা নির্বাচনী পরিবেশকে অশান্ত করতে পারে।
ব্যক্তিগত আক্রমণ
এখানেই থেমে থাকেননি ওই প্রার্থী-তৃণমূলের অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি ব্যক্তিগত আক্রমণও করেছেন একাধিক নেতার বিরুদ্ধে। এই ধরনের মন্তব্যের মাধ্যমে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও দাবি শাসকদলের। তাদের মতে, এই আচরণ নির্বাচনী বিধি লঙ্ঘনের সামিল এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার পরিপন্থী। তৃণমূল কংগ্রেস স্পষ্ট জানিয়েছে, প্রতিপক্ষকে আক্রমণ করতে গিয়ে ব্যক্তিগত কুৎসা বা অপ্রমাণিত অভিযোগ করা যায় না। ভোটারদের ভয় দেখানো বা উত্তেজিত করাও আইনবিরুদ্ধ। সেই কারণেই তারা নির্বাচন কমিশনের কাছে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানিয়েছে।
দলটির তরফে দাবি করা হয়েছে, অবিলম্বে হুমায়ুন কবীরকে কারণ দর্শানোর নোটিস পাঠাতে হবে। পাশাপাশি তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মামলা দায়েরের নির্দেশও চাওয়া হয়েছে। নির্বাচনের আগে এই ধরনের মন্তব্যে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এখন দেখার, কমিশন এই বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেয়।


