Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: নিউটাউনের ইকো পার্কের (Newtown Fire) কাছে বুধবার সন্ধ্যায় ঘটে এক বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড। জানা গেছে, ঘুনি বস্তির একাধিক ঝুপড়িতে আগুন লাগে। ক্ষুদ্রস্থানে ঘিঞ্জি রাস্তা থাকায় দমকলের প্রথম দল পাঁচটি ইঞ্জিন নিয়েও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে হিমশিম খায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পরে আরও পাঁচটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। স্থানীয় বাসিন্দারাও দমকলকর্মীদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে আগুন নেবানোর চেষ্টা করেন। মোট ১৫টি ইঞ্জিন পৌঁছেছে ঘটনাস্থলে।
প্রচুর পরিমাণে জ্বলনশীল সামগ্রী (Newtown Fire)
প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী, ঝুপড়িগুলোতে বাঁশ, ত্রিপল ও (Newtown Fire) অন্যান্য সহজে জ্বলনশীল সামগ্রী প্রচুর পরিমাণে ছিল। বস্তির সংকীর্ণ পথ এবং ঘিঞ্জি রাস্তার কারণে দমকল গাড়ি পৌঁছতে দেরি হওয়ায় আগুন নিয়ন্ত্রণে কিছুটা সময় লেগেছে। আগুন লাগার পর একাধিকবার গ্যাস সিলিন্ডারের বিস্ফোরণের শব্দও শোনা গেছে। যদিও দমকল এ ধরনের সম্ভাবনার কথা সম্পূর্ণভাবে উড়িয়ে দিচ্ছে না, তারা বলেছে যে আপাতত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে কাজ চলছে।
বহু মানুষ আশ্রয়হীন (Newtown Fire)
ঘটনাস্থলে থাকা স্থানীয়রা জানিয়েছেন, এই বস্তিতে বহু (Newtown Fire) মানুষ থাকতেন। বিধ্বংসী আগুনের কারণে অনেকের ঘরের ছাদ ও ব্যক্তিগত জিনিসপত্র নষ্ট হয়েছে। বিশেষ করে শীতকালে এই ধরনের অগ্নিকাণ্ডে বাসিন্দাদের নিরাপত্তা ও জীবনযাত্রার ওপর প্রভাব পড়েছে। অনেকেই শীতের মধ্যে আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছেন, ফলে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জরুরি সহায়তা দেওয়া প্রয়োজন।
আরও পড়ুন: CM Mamata Banerjee: ব্যবসায়ীদের সমস্যা-সমাধানে একাধিক পদক্ষেপ মুখ্যমন্ত্রীর
অগ্নিকাণ্ডের কারণ তদন্তাধীন
দমকলের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অগ্নিকাণ্ডের কারণ তদন্তাধীন। তবে ঝুপড়ির ঘনত্ব, জ্বলনযোগ্য সামগ্রীর উপস্থিতি এবং সঙ্কীর্ণ রাস্তা এই বিপর্যয়ের মূল কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন এবং পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। প্রাথমিকভাবে কোনও হতাহত বা গুরুতর আহতের খবর পাওয়া যায়নি।


