Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: চিন তাদের বাড়তে থাকা চাইল্ডকেয়ার সঙ্কট মোকাবিলায় আরও সংগঠিত ব্যবস্থার পথে এগোচ্ছে। দেশের আইনপ্রণেতারা জনসংখ্যা ও পরিবারগুলির উপর আর্থিক চাপ কমাতে চাইল্ডকেয়ার পরিষেবা ব্যবস্থার সার্বিক সংস্কারের জন্য খসড়া আইন জমা দিয়েছেন(China)।
আইনি খসড়ার প্রথম দফা পর্যালোচনায় (China)
চিনের সর্বোচ্চ আইনসভা ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের স্থায়ী কমিটির কাছে ‘চাইল্ডকেয়ার সার্ভিসেস ল’–র খসড়া প্রথম দফায় পর্যালোচনার জন্য পেশ করা হয়। আটটি অধ্যায় ও ৭৬টি অনুচ্ছেদে বিভক্ত এই প্রস্তাবিত আইন মূলত তিন বছরের কম বয়সি শিশুদের জন্য পরিচালিত কেয়ার সেন্টার ও সেবাদানকারীদের জন্য একটি জাতীয় আইনি কাঠামো গড়ে তোলার কথা বলছে।
‘ফার্টিলিটি-ফ্রেন্ডলি’ সমাজ গড়ার উদ্যোগ (China)
চিনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের মতে, এই আইনি খসড়া একটি ‘ফার্টিলিটি-ফ্রেন্ডলি’ বা সন্তানবান্ধব সমাজ গঠনের মূল স্তম্ভ। জনসংখ্যা হ্রাসের ফলে ভবিষ্যতে অর্থনৈতিক বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থেকেই এই উদ্যোগ। খসড়ার লক্ষ্য হল চাইল্ডকেয়ার পরিষেবার গুণগত উন্নয়ন এবং খরচ কমানো। এক সরকারি ভাষ্যে বলা হয়েছে, “সবচেয়ে কম বয়সি ও ঝুঁকিপূর্ণ শিশুদের জন্য শক্ত আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করাই এই আইনের উদ্দেশ্য।”
সামনে এসেছে দীর্ঘদিনের অভিযোগ (China)
আইনটি চাইল্ডকেয়ার খাতে দীর্ঘদিনের অভিযোগগুলোকেও সামনে এনেছে—যেমন পরিষেবার অসম মান, প্রশিক্ষিত কর্মীর অভাব এবং দুর্বল তদারকি—যা অভিভাবকদের হতাশ করেছে এবং নির্ভরযোগ্য যত্ন পাওয়ার সুযোগ সীমিত করেছে।
বিশেষজ্ঞদের সতর্কবার্তা (China)
জনসংখ্যা বিশেষজ্ঞ ও নীতিনির্ধারক বিশ্লেষকরা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানালেও বলেছেন, কেবল আইন করলেই সমস্যার সমাধান হবে না। গুয়াংডংয়ের স্বাধীন জনসংখ্যা বিশেষজ্ঞ হে ইয়াফু জানান, শিশুর যত্ন নেওয়ার জন্য বড় খরচ ও সীমিত সুযোগ এখনও দ্বৈত আয়ের পরিবারের জন্য বড় উদ্বেগ। তাঁর মতে, সাশ্রয়ী পরিষেবার প্রসার সন্তান নেওয়ার আগ্রহ বাড়াতে পারে।
আরও পড়ুন: Russia: মস্কোয় গাড়ি বিস্ফোরণে নিহত রুশ সামরিক কর্তা: পিছনে ইউক্রেনের হাত, সন্দেহ তদন্তকারীদের
দৈনন্দিন খরচে প্রয়োজন উল্লেখযোগ্য স্বস্তি (China)
তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, জন্মহার বাড়াতে নগদ ভর্তুকি, করছাড় ও দীর্ঘমেয়াদি মাতৃত্ব-পিতৃত্বকালীন ছুটির মতো অতিরিক্ত উৎসাহদানের ব্যবস্থাও প্রয়োজন। বিশেষজ্ঞদের মতে, সন্তান পালনের দৈনন্দিন খরচে উল্লেখযোগ্য স্বস্তি না এলে অনেক দম্পতিই আরও সন্তান নিতে চাইবেন না।



