Last Updated on [modified_date_only] by Sumana Bera
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: পৌষমেলা মানেই শান্তিনিকেতনে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়। গ্রামবাংলার এই ঐতিহ্যবাহী মেলা (Shantiniketan Poush Mela) দেখতে প্রতি বছরই দেশ-বিদেশের হাজার হাজার পর্যটক ভিড় জমান বীরভূমের বোলপুরে। চলতি বছরেও সেই ভিড়ের চিত্রটা ভিন্ন নয়। আর সেই ভিড় সামাল দিতে এবং যাত্রীদের যাতায়াত আরও মসৃণ করতে বিশেষ উদ্যোগ নিল পূর্ব রেলের হাওড়া ডিভিশন। যাত্রীদের সুবিধার্থে হাওড়া ও বোলপুর স্টেশনের মধ্যে এক জোড়া স্পেশাল ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ট্রেন চলাচলের সূচি (Shantiniketan Poush Mela):
রেল সূত্রে জানানো হয়েছে, ২০২৫ সালের পৌষমেলা (Shantiniketan Poush Mela) চলাকালীন টানা চারদিন এই বিশেষ পরিষেবা পাওয়া যাবে। আগামী ২৫শে ডিসেম্বর (বৃহস্পতিবার), ২৬শে ডিসেম্বর (শুক্রবার), ২৭শে ডিসেম্বর (শনিবার) এবং ২৮শে ডিসেম্বর (রবিবার) ট্রেনটি নির্দিষ্ট সময়ে যাতায়াত করবে। মূলত বড়দিনের ছুটির আমেজ এবং মেলার শেষ দিনগুলির ভিড় নিয়ন্ত্রণ করতেই এই পরিকল্পনা।
আরও পড়ুন:Ramnagar Market: বড়দিনের রাতে রামনগর বাজারে হঠাৎ আগুন
যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে ট্রেনের সময় এমনভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে যাতে পর্যটকরা চাইলে একদিনেই মেলা দেখে ফিরে আসতে পারেন।
০৩০০১ (হাওড়া-বোলপুর স্পেশাল): সকাল ৭টা ১৫ মিনিটে হাওড়া স্টেশন থেকে ছেড়ে ট্রেনটি ব্যান্ডেল, বর্ধমান ও গুসকরা হয়ে সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে বোলপুর পৌঁছাবে।
০৩০০২ (বোলপুর-হাওড়া স্পেশাল): ফিরতি পথে বোলপুর থেকে বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে ছেড়ে দুপুর ২টা ৪৫ মিনিটে ট্রেনটি পুনরায় হাওড়া স্টেশনে ফিরে আসবে।
এই বিশেষ ট্রেনে মোট ১১টি কোচ থাকবে। এর মধ্যে ৯টি সাধারণ দ্বিতীয় শ্রেণীর কোচ (General Class) এবং ২টি এসএলআর (SLR) কোচ অন্তর্ভুক্ত (Shantiniketan Poush Mela)। ফলে সাধারণ মানুষের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যে যাতায়াত করা সহজ হবে।
আরও পড়ুন:Calcutta High Court : দার্জিলিংয়ের পর্যটকদের জন্য সুখবর,বড়দিনের আগেই খুলছে গ্লেনারিজ
পূর্ব রেলের হাওড়া ডিভিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উৎসবের মরসুমে ট্রেনগুলোতে অতিরিক্ত ভিড় হওয়ায় সাধারণ যাত্রীদের চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হয় (Shantiniketan Poush Mela)। সেই ভোগান্তি কমাতে এবং পর্যটনকে উৎসাহ দিতেই এই স্পেশাল ট্রেনের ব্যবস্থা। রেল কর্তৃপক্ষের পরামর্শ, ভিড় এড়াতে যাত্রীরা যেন আগেভাগেই টিকিট বুকিং সেরে নেন এবং রেলের নির্দিষ্ট সময়সূচী মেনে যাতায়াত করেন। এই উদ্যোগের ফলে বড়দিনের ছুটিতে শান্তিনিকেতনগামী পর্যটকদের মধ্যে খুশির হাওয়া।


