Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে সোমবার গভীর রাতে গুলির শব্দ ও সামরিক বাহিনীর তৎপরতার দৃশ্য ছড়িয়ে পড়ায় দেশজুড়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে দেশটিতে কি তবে অভ্যুত্থান শুরু হয়েছে(Venezuela)?
ভাইস প্রেসিডেন্টশপথের পরই গুলি (Venezuela)
অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ শপথ নেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কারাকাসের মিরাফ্লোরেস প্রেসিডেনশিয়াল প্যালেসের আশপাশে গুলির শব্দে আতঙ্ক ছড়ায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে সামরিক বাহিনীর চলাচল এবং গুলির ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে, যার ফলে রদ্রিগেজের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক অভ্যুত্থানের গুঞ্জন আরও তীব্র হয়। তবে এসব ভিডিও ও দাবি তাৎক্ষণিকভাবে স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
গুলির ঘটনা নিয়ে একাধিক জল্পনা
এএফপিকে এক বাসিন্দা এবং সরকারের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে যে প্রেসিডেনশিয়াল প্যালেসের কাছাকাছি এলাকায় সত্যিই গুলির ঘটনা ঘটেছে। অন্যদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিছু যাচাই-বিহীন দাবি করা হয় যে প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে গুলিবর্ষণ চলেছিল।
নজরে রাখছে আমেরিকা (Venezuela)
রুশ সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, কারাকাসের পরিস্থিতি বিশেষ করে গুলির ঘটনাকে নজরে রাখছে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা এবং তারা এই গুলিবর্ষণের সঙ্গে জড়িত নয়। এই খবর প্রকাশের পর অভ্যুত্থান নিয়ে জল্পনা আরও বাড়ে।
পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে (Venezuela)
তবে সরকারের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র এএফপিকে জানিয়েছে, পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং কোনো অভ্যুত্থান চলছে না। ওই সূত্রের দাবি, সোমবার রাত প্রায় ৮টার দিকে অজ্ঞাত কিছু ড্রোন প্রেসিডেনশিয়াল প্যালেসের ওপর দিয়ে উড়ে যায়। নিরাপত্তা বাহিনী সেগুলোর প্রতিক্রিয়ায় গুলি ছোড়ে।
অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ (Venezuela)
প্রেসিডেনশিয়াল প্যালেস থেকে পাঁচ ব্লক দূরে বসবাসকারী এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, গুলির শব্দ শোনা গেলেও তা শনিবারের ঘটনার মতো তীব্র ছিল না, যেদিন মার্কিন বিশেষ বাহিনী কারাকাসে অভিযান চালিয়ে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে হেলিকপ্টারে তুলে নিয়ে যায়। মাদুরো ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর ডেলসি রদ্রিগেজ অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেন। এখন পর্যন্ত ভেনেজুয়েলার সামরিক বাহিনী প্রকাশ্যে তার প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। স্বাধীন পর্যবেক্ষকদের মতে, মার্কিন অভিযানের সময় সেনাবাহিনীর প্রতিরোধ না করা এবং রদ্রিগেজকে দ্রুত গ্রহণ করার পিছনে কোনও গোপন সমঝোতা থাকতে পারে।



