Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ভারতীয় পণ্যের উপর প্রায় ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে আমেরিকা। কিন্তু যদি এই শুল্ক হঠাৎ বেড়ে ৫০০ শতাংশে পৌঁছায়? শুনতে অবিশ্বাস্য মনে হলেও, এমন পরিস্থিতি বাস্তব হতে পারে(US Tariff)। কারণ, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি রাশিয়া নিষেধাজ্ঞা বিলটিকে সবুজ সঙ্কেত দিয়েছেন।
বিলের লক্ষ্য রাশিয়াকে দুর্বল করা (US Tariff)
এই বিলের লক্ষ্য মূলত রাশিয়াকে অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল করা। এমন সময়ে এটি সামনে এল, যখন যুক্তরাষ্ট্র একটি রাশিয়ান পতাকাবাহী তেল ট্যাংকার জব্দ করেছে এবং একই সঙ্গে ইউক্রেন যুদ্ধ অবসানের জন্য আলোচনাও চালিয়ে যাচ্ছে।
প্রেসিডেন্টকে শুল্ক আরোপের স্বীকৃতি
দক্ষিণ ক্যারোলিনার রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসি গ্রাহাম এবং কানেকটিকাটের ডেমোক্র্যাট সিনেটর রিচার্ড ব্লুমেনথাল যৌথভাবে এই বিলটি উত্থাপন করেন। এতে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে যেসব দেশ রাশিয়ার তেল, গ্যাস, ইউরেনিয়াম ও অন্যান্য জ্বালানি পণ্য কিনবে, তাদের ওপর কঠোর শুল্ক ও “সেকেন্ডারি স্যাংশন” আরোপ করতে।
প্রয়োজনে ৫০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ (US Tariff)
বিলে বলা হয়েছে, প্রয়োজনে রাশিয়া ও রাশিয়ার সঙ্গে জ্বালানি বাণিজ্যে যুক্ত দেশগুলোর পণ্যের ওপর অন্তত ৫০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা যেতে পারে। পাশাপাশি, রাশিয়ার সঙ্গে লেনদেন করা আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্পদ জব্দ ও ভিসা নিষেধাজ্ঞার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
ভারতের ওপর প্রভাব (US Tariff)
এই বিল পাস হলে ভারত বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়বে। ভারত ও চিন দু’দেশই এখনও রাশিয়া থেকে বিপুল পরিমাণে তেল আমদানি করছে। এরই মধ্যে ভারতের উপর ৫০ শতাংশ শুল্ক রয়েছে। নতুন বিল কার্যকর হলে সেই শুল্ক ৫০০ শতাংশে পৌঁছাতে পারে, যা ভারতের রফতানি খাত, বিশেষ করে শ্রমনির্ভর শিল্পে মারাত্মক প্রভাব ফেলবে।
আরও পড়ুন: Iran: ইরানে তীব্র অর্থনৈতিক সংকটে বিক্ষোভ, আন্দোলনকারীদের কড়া হুঁশিয়ারি শীর্ষ বিচারকের
চাপে পড়তে ভারত-মার্কিন সম্পর্ক (US Tariff)
এতে ভারত–যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক আরও চাপে পড়তে পারে। যদিও যুক্তরাষ্ট্র ভারতের রুশ তেল কেনা নিয়ে চাপ দিচ্ছে, অন্যদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এখনও রাশিয়ান এলএনজির ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল এটাই এই নিষেধাজ্ঞা রাজনীতির বড় বৈপরীত্য।



