Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয়বার হোয়াইট হাউসে ফেরার আগে ভারতে অনেকেই আশা করেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে আগের বন্ধুত্বকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবেন। কিন্তু ক্ষমতায় বসার পর থেকেই ট্রাম্প প্রশাসনের একের পর এক সিদ্ধান্তে ভারত–মার্কিন সম্পর্ক চাপে পড়েছে। কঠোর শুল্ক আরোপ, নয়াদিল্লিকে লক্ষ্য করে কটাক্ষ সব মিলিয়ে সম্পর্কের উষ্ণতা কমেছে। তবু সাম্প্রতিক কিছু ঘটনার ইঙ্গিত, দুই দেশ ফের আলোচনার পথে হাঁটতে চাইছে(India US)।
“ভালো আলোচনা” (India US)
এই আবহে মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ফোনে কথা বলেন মার্কিন বিদেশমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে। আলোচনায় উঠে আসে বাণিজ্য, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, পরমাণু শক্তি, প্রতিরক্ষা ও জ্বালানি সহযোগিতার বিষয়। এক্স-এ জয়শঙ্কর লেখেন, এটি ছিল “ভালো আলোচনা”। ভবিষ্যতে তাঁদের সরাসরি সাক্ষাতের সম্ভাবনাও রয়েছে, যদিও তা দ্বিপাক্ষিক সফর নাকি কোনও বহুপাক্ষিক সম্মেলনের ফাঁকে তা স্পষ্ট নয়।
জয়শঙ্কর-রুবিও একাধিক যোগাযোগ (India US)
২০২৫ সাল জুড়েই জয়শঙ্কর ও রুবিওর মধ্যে একাধিকবার যোগাযোগ হয়েছে। সেপ্টেম্বরে, ট্রাম্প প্রশাসনের ৫০ শতাংশ শুল্ক ও এইচ-১বি ভিসায় অতিরিক্ত ফি আরোপের পর তাঁদের বৈঠকে ‘গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক ইস্যু’ নিয়ে আলোচনা হয়। নভেম্বরে জি৭ বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠকের ফাঁকেও তাঁরা বাণিজ্য ও সরবরাহ শৃঙ্খল নিয়ে কথা বলেন।
‘প্যাক্স সিলিকা’ উদ্যোগে ভারতকে আমন্ত্রণ (India US)
এরই মধ্যে ভারতে দায়িত্ব নিয়েছেন ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সহযোগী সার্জিও গোর। নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে তিনি জানান, দুই দেশের বাণিজ্য মতপার্থক্য মেটাতে তিনি কাজ করবেন এবং ভারতকে ‘প্যাক্স সিলিকা’ উদ্যোগে যুক্ত হওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হবে। এছাড়া মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্টের আয়োজিত গুরুত্বপূর্ণ খনিজ বৈঠকে অংশ নেন ভারতের মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। সেখানে তিনি খনিজ সরবরাহ শৃঙ্খল মজবুত করার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।
আরও পড়ুন: Iran: ইরানে বিক্ষোভ দমনে ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড: সরকারি সূত্রের তথ্য নিহত ১২ হাজার ছাড়িয়েছে
সম্ভাব্য বরফ গলার ইঙ্গিত (India US)
সব মিলিয়ে সাম্প্রতিক এই কূটনৈতিক তৎপরতা ভারত–মার্কিন সম্পর্কে সম্ভাব্য বরফ গলার ইঙ্গিত দিচ্ছে। যদিও রাশিয়ার তেল কেনা, পাকিস্তান ইস্যু ও এইচ-১বি ভিসা নিয়ে মতবিরোধ এখনো রয়ে গেছে। সম্পর্ক আদৌ কতটা মেরামত হবে, তা আপাতত সময়ই বলবে।



