Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বেঙ্গালুরুতে ছয় বছরের শিশু ভেন্নেলার হত্যাকাণ্ডে নতুন মোড়। শিশুটির মা প্রিয়াঙ্কাকে গ্রেফতারের একদিন পরই কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগে তিন পুলিশকর্মীকে সাসপেন্ড করা হয়েছে(Bengaluru Child Murder)। বেঙ্গালুরু সিটি পুলিশের কমিশনার সীমান্ত কুমার সিংহ এই নির্দেশ জারি করেন।
মা গ্রেফতার, ৩ পুলিশকর্মী সাসপেন্ড (Bengaluru Child Murder)
সাসপেন্ড হওয়া পুলিশকর্মীদের মধ্যে রয়েছেন কাদুগোডি থানার প্রাক্তন ইনস্পেক্টর এইচ. এম. রঙ্গস্বামী, সাব-ইনস্পেক্টর নিঙ্গারাজু এবং কনস্টেবল হালেশ নায়েক। তদন্তে উঠে এসেছে যে শিশুটির মা প্রিয়াঙ্কা এবং তাঁর লিভ-ইন সঙ্গী জি. এম. মোহনের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ রয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২৪ মার্চ এই ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, প্রিয়াঙ্কা ও মোহন শিশুটিকে হত্যা করে ঘটনাটিকে দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু বলে দেখানোর চেষ্টা করেন। প্রথমে পুলিশ একটি ‘আনন্যাচারাল ডেথ রিপোর্ট’ (ইউডিআর) নথিভুক্ত করে এবং ঘটনাটিকে সন্দেহজনক মৃত্যু হিসেবে বিবেচনা করে।
তবে শিশুটির বাবা প্রবীণ ঘটনার মধ্যে অসঙ্গতি খুঁজে পান এবং অভিযোগ দায়ের করতে উদ্যোগী হন। তাঁর অভিযোগ, পুলিশ দীর্ঘদিন এফআইআর নথিভুক্ত করেনি। একাধিকবার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দ্বারস্থ হওয়ার পর অবশেষে ৪ জুন মামলা রুজু হয়।
রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিয়াঙ্ক খাড়গে জানান, শিশুটির ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ৪ এপ্রিলই পুলিশের হাতে পৌঁছে গিয়েছিল। রিপোর্ট পাওয়ার পরই ঘটনাটিকে সন্দেহজনক মৃত্যু হিসেবে ধরে এফআইআর করে তদন্ত শুরু করা উচিত ছিল। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মামলাটিকে ইউডিআর হিসেবেই রেখে দেন, যা গুরুতর কর্তব্যে অবহেলার শামিল।
পূর্বাঞ্চলীয় জয়েন্ট কমিশনার রমেশ বানোথের নির্দেশে হওয়া অভ্যন্তরীণ তদন্তে পুলিশের গাফিলতির প্রমাণ মেলে। এরপরই কমিশনার শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেন(Bengaluru Child Murder)।
এদিকে, হত্যার সঠিক উদ্দেশ্য এখনও স্পষ্ট নয়। মামলার তদন্তে অন্য বিভাগের এক এসিপি-স্তরের কর্মকর্তাকে নিয়োগ করা হয়েছে। তদন্ত জোরদার হওয়ার পর আত্মগোপনে যাওয়া প্রিয়াঙ্কাকে ১১ জুন হাসান জেলার সাকলেশপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়(Bengaluru Child Murder)। এখন পুলিশ খতিয়ে দেখছে, হত্যার পেছনের কারণ এবং এফআইআর দায়েরে ইচ্ছাকৃত বিলম্বের কোনও ভূমিকা ছিল কি না।



