Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তেহরানের তীব্র বাকযুদ্ধের মধ্যেই ইরানের জাতীয় টেলিভিশনে সম্প্রচারিত একটি ভয়াবহ বার্তা আন্তর্জাতিক মহলে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে(Iran Trump)। ইরানে বিক্ষোভকারীদের কথিত মৃত্যুদণ্ড নিয়ে ট্রাম্প যখন প্রকাশ্যে হুমকি দিচ্ছেন এবং সামরিক পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিচ্ছেন, ঠিক তখনই ইসলামিক রিপাবলিক সেই হুমকির কড়া জবাব দিতে শুরু করেছে।
জাতীয় টিভিতে ভয়াবহ বার্তা (Iran Trump)
জাতীয় টিভিতে সম্প্রচারিত ফুটেজে দেখা যায়, সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চলাকালে নিহত এক নিরাপত্তা কর্মীর শেষযাত্রায় উপস্থিত এক ব্যক্তি হাতে একটি প্ল্যাকার্ড ধরে আছেন। সেই প্ল্যাকার্ডে ছিল ২০২৪ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর হওয়া হামলার একটি ছবি। ছবির নিচে লেখা “এবার লক্ষ্যভ্রষ্ট হবে না।” এই দৃশ্য সম্প্রচার করে ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরান নিউজ নেটওয়ার্ক (IRINN), যা সরাসরি সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন।
এই প্রথম প্রকাশ্যে হুমকি (Iran Trump)
বিশেষজ্ঞদের মতে, বিক্ষোভের আবহে এই প্রথমবার ইরান সরাসরি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে এমন প্রকাশ্য হুমকি দিল। গত কয়েক সপ্তাহে দেশজুড়ে বিক্ষোভে হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন বলে বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের দাবি। এতদিন পর্যন্ত তেহরান মূলত যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে সতর্কবার্তা দিচ্ছিল, যাতে তারা ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করে।
বিদেশে গুপ্তহত্যায় জড়িত ইরান! (Iran Trump)
ইতিহাস বলছে, বিদেশে গুপ্তহত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার দীর্ঘ রেকর্ড রয়েছে ইরানের। মূলত ইউরোপ, এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে ইরানি ভিন্নমতাবলম্বী ও বিরোধীদের লক্ষ্য করে এসব পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সেই হামলা আরও বিস্তৃত হয়ে পৌঁছেছে শীর্ষ মার্কিন নেতাদের দিকেও।
আরও পড়ুন: Donald Trump: অবশেষে ট্রাম্পের হাতে নোবেল, সৌজন্যে মারিয়া করিনা মাচাদো
“কঠোর প্রতিশোধ”-এর অঙ্গীকার (Iran Trump)
২০২০ সালের জানুয়ারিতে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্দেশে চালানো ড্রোন হামলায় নিহত হন ইরানের প্রভাবশালী সামরিক কমান্ডার কাসেম সোলাইমানি। এরপর থেকেই ইরানের শীর্ষ নেতারা বারবার “কঠোর প্রতিশোধ”-এর অঙ্গীকার করে আসছেন। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো জানিয়েছে, ট্রাম্প ও তাঁর সাবেক জাতীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে একাধিক নির্দিষ্ট হুমকি তারা নজরে রেখেছে। এসব হুমকিকেই বর্তমানে ইরানের ‘ছায়াযুদ্ধ’ কৌশলের অন্যতম মূল স্তম্ভ হিসেবে দেখা হচ্ছে।



