Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউরোপের গুরুত্বপূর্ণ মিত্রদের সঙ্গে উত্তেজনা আরও বাড়ালেন। নিজের সরকারি ট্রুথ সোশ্যাল অ্যাকাউন্টে তিনি একটি ছবি শেয়ার করেন, যেখানে কানাডা ও গ্রিনল্যান্ডকে মার্কিন পতাকার লাল-সাদা-নীল রঙে রাঙানো দেখা যায়(America)। পোস্টটিতে কোনও ক্যাপশন ছিল না, তবে এতে উত্তর আমেরিকার একটি মানচিত্র দেখানো হয়, যা পুরোপুরি মার্কিন রঙে আঁকা।
ফের গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের পক্ষে সওয়াল ট্রাম্পের (America)
পোস্টটি এসেছে এমন এক সময়ে, যখন ট্রাম্প ফের গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের পক্ষে সওয়াল করছেন। তিনি বারবার দাবি করে আসছেন, গ্রিনল্যান্ড শুধু আমেরিকার নয়, বরং গোটা বিশ্বের নিরাপত্তার জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফ্লোরিডায় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, “আমাদের ওটা পেতেই হবে। এটা করতেই হবে। ডেনমার্ক ওটা রক্ষা করতে পারে না। ওরা ভাল মানুষ, কিন্তু ওখানে ওরা প্রায় যায়ই না।” তিনি আরও বলেন, “আমি মনে করি না তারা খুব বেশি প্রতিরোধ করবে।”
মার্কিন ম্যাপে গ্রিনল্যান্ড, কানাডা
এরপর ট্রাম্প আরও একটি ছবি পোস্ট করেন, যেখানে গ্রিনল্যান্ডকে সরাসরি “মার্কিন ভূখণ্ড” হিসেবে দেখানো হয়। সেই ছবিতে ট্রাম্পের সঙ্গে জেডি ভ্যান্স ও মার্কো রুবিওকে গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন পতাকা পুঁততে দেখা যায়। আগের ছবিতে কানাডার অন্তর্ভুক্তি বিশেষভাবে নজর কেড়েছে, কারণ কানাডা নিয়ে ট্রাম্প কোনও আনুষ্ঠানিক নীতিগত ঘোষণা দেননি।
ইউরোপীয় মিত্রদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ (America)
এই প্রতীকী চিত্রায়ণ ইউরোপীয় মিত্রদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ তৈরি করেছে। অনেকের মতে, এর মাধ্যমে ওয়াশিংটনের আগ্রাসী মনোভাবই ফুটে উঠছে, বিশেষত যখন ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ডকে কৌশলগত প্রয়োজন হিসেবে তুলে ধরছেন।
গ্রিনল্যান্ডে ট্রাম্পের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন ম্যাকরঁর (America)
এদিকে ট্রাম্প ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাকরঁর একটি ব্যক্তিগত বার্তার স্ক্রিনশটও শেয়ার করেছেন বলে দাবি করেন। সেখানে ম্যাকরঁ নাকি গ্রিনল্যান্ডে ট্রাম্পের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ফরাসি প্রেসিডেন্টের দফতর আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া না দিলেও, ঘনিষ্ঠ সূত্র বার্তাটির সত্যতা স্বীকার করেছে।
আরও পড়ুন: Mia Khalifa: মিয়া খলিফার প্রেমে মজলেন ‘মিস্টার বিন’! গুজবে ঝড় নেট দুনিয়ায়
মার্কিন দখলদারি প্রত্যাখ্যান একাধিক দেশের (America)
ডাভোস অর্থনৈতিক ফোরামে গ্রিনল্যান্ড ইস্যু তোলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন ট্রাম্প। তবে ফ্রান্সসহ একাধিক ইউরোপীয় দেশ স্পষ্টভাবে মার্কিন দখলদারির বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করেছে। অনলাইনে এই পোস্ট ঘিরে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে, অনেকেই একে ভবিষ্যৎ ভূখণ্ড বিস্তারের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন।



