Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ২১ ডিসেম্বর ২০২৫। নয়াদিল্লির ইন্দিরা গান্ধী স্পোর্টস কমপ্লেক্সে আলো ঝলমল, হাতে কনসার্ট ব্যান্ড, তরুণ-তরুণীদের উচ্ছ্বাসে ভরা এক বিশাল রেভ। কিন্তু ব্যাকগ্রাউন্ডে ছিল না ইডিএম বা বলিউড, বরং শোনা যাচ্ছিল হাই-ভোল্টেজ ভজন। আর এটাই ‘ভজন ক্লাবিং’ ভারতজুড়ে জেন-জির নতুন আধ্যাত্মিক ট্রেন্ড(Bhajan Clubbing)।
মোদির নজরেও ভজন ক্লাবিং (Bhajan Clubbing)
এই প্রবণতা এতটাই নজর কেড়েছে যে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও তাঁর বছরের প্রথম মন কি বাত ভাষণে ভজন ক্লাবিংয়ের প্রশংসা করেন। তাঁর কথায়, ভক্তি, সংস্কৃতি, আধ্যাত্মিকতা ও আধুনিকতার এই মেলবন্ধন বিশ্বমানের মিউজিক কনসার্টের মতোই প্রাণবন্ত।
নেশা শুধু ভক্তির
মুম্বই, দিল্লি, বেঙ্গালুরু থেকে কলকাতা সবখানেই ভজন ক্লাবিং এখন আলোচনার কেন্দ্রে। অন্ধকার অডিটোরিয়াম বা ওপেন-এয়ার ভেন্যুতে গণচ্যান্টিং, লাইভ পারফরম্যান্স, ইলেকট্রনিক ও লো-ফাই বিটে নতুন করে সাজানো ভজন সব মিলিয়ে এক ধরনের মাতাল করা অভিজ্ঞতা। মদ নেই, নেশা শুধু ভক্তির।
ভজন ক্লাবিং মানে ঐতিহ্যের বিবর্তন (Bhajan Clubbing)
জেন-জির এই ভজন ক্লাবিং মানে ঐতিহ্যের বিবর্তন। স্ট্রেস, অনিশ্চয়তা আর অনলাইন চাপের যুগে আধ্যাত্মিকতা হয়ে উঠছে ‘সেল্ফ-কেয়ার’। তরুণদের অনেকেই বলছেন, মন্দিরে স্থির হয়ে বসার চেয়ে একসঙ্গে “রাম রাম” বা “জয় শ্রীকৃষ্ণ” ধ্বনিতে নাচা-গাওয়ায় বেশি আনন্দ।
ভজন ক্লাবিং-এর অগ্রদূতেরা (Bhajan Clubbing)
এই আন্দোলনের অগ্রদূতদের মধ্যে রয়েছেন ব্যাকস্টেজ সিবলিংস রাঘব ও প্রাচী আগরওয়াল। লিভিং-রুম বৈঠক থেকে শুরু করে আজ ১,৫০০ টাকায় টিকিট বিক্রি হয় তাঁদের। তাঁরা চাকরি ছেড়ে দেশজুড়ে ট্যুরে বেরোচ্ছেন। ‘কেশবম’-এর মতো ব্যান্ডও বলছে, ভজন শুধু আবেগ নয় পরিচয় আর গর্বের জায়গা।
পিছিয়ে নেই ব্র্যান্ডগুলিও (Bhajan Clubbing)
ব্র্যান্ডগুলিও পিছিয়ে নেই। ওয়েলনেস, মিউজিক, ফ্যাশন সবখানেই ‘সফট স্পিরিচুয়ালিটি’ নতুন কনজাম্পশন ড্রাইভার। তাই আলো আঁধারিতে মেদুরতায় কোনও রক, জ্যাজ বা ইংলিশ ধুনে ভেসে যাচ্ছে না এখনকার প্রজন্ম। বরং শিগগিরই কোল্ডপ্লের টিকিটের বদলে হট টপিক হতেই পারে ভজন ক্লাবিং নাইট!



