Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ‘বাংলার যুব সাথী’ প্রকল্পকে ঘিরে রাজ্যের (Banglar Yuva Sathi 2026) বিভিন্ন জেলায় তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক চর্চা। বেকার ভাতার জন্য রেজিস্ট্রেশন শিবিরে বিরোধী দলের কর্মীদের উপস্থিতি ঘিরে শুরু হয়েছে বিতর্ক।
রাজনৈতিক মহলে আলোচনা (Banglar Yuva Sathi 2026)
জলপাইগুড়ি সদর ব্লকের বটতলা এলাকায় দেখা (Banglar Yuva Sathi 2026) যায়, তৃণমূল পরিচালিত সহায়তা শিবিরে বিজেপি যুব মোর্চার কয়েকজন সদস্য ফর্ম পূরণ করতে এসেছেন। শুধু তাই নয়, সংগঠনের কর্মীরা যাতে ঠিকভাবে আবেদন করতে পারেন, তা তদারকি করছিলেন এক বিজেপি পঞ্চায়েত প্রধান। এই ছবি প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়।

মানুষ কেন তা নেবে না? (Banglar Yuva Sathi 2026)
বিজেপির ওই পঞ্চায়েত প্রধান বলেন, “রাজ্যে চাকরি (Banglar Yuva Sathi 2026) নেই। বেকার ভাতা সরকারের প্রকল্প। মানুষ কেন তা নেবে না? গঙ্গাজলে গঙ্গাপুজো করলে যেমন দোষ নেই, তেমনই নিজের প্রাপ্য নেওয়াতেও দোষ নেই।” যদিও তৃণমূলের দাবি, বিরোধী দল একদিকে মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করছে, অন্যদিকে নিজেদের কর্মীরাই সেই প্রকল্পে নাম লেখাচ্ছেন। তারা কটাক্ষ করে বলেছে, বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব যা বলছে, নিচুতলার কর্মীরা তা মানছেন না।

রাজনৈতিক তরজা শুরু
এদিকে পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া ২ নম্বর ব্লক অফিসের সামনে দেখা যায় অন্য ছবি। সেখানে ‘বাংলার যুব সাথী’ প্রকল্পে ফর্ম পূরণের জন্য সহায়তা শিবির করেছে সিপিএম। শিবিরে বেকার যুবক-যুবতী ও ক্ষেতমজুরদের আবেদনপত্র পূরণে সাহায্য করছেন সিপিএম কর্মীরা। ভোটের আগে এমন দৃশ্য ঘিরেও রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে।
আরও পড়ুন: Bill Gates: বিতর্কের মাঝেই সিদ্ধান্ত বদল, এআই সামিটে বক্তব্য রাখছেন না গেট্স
বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল ও সিপিএম একসঙ্গে কাজ করছে। অন্যদিকে সিপিএমের বক্তব্য, উপভোক্তাদের হয়রানি এড়াতেই তারা স্বেচ্ছাশ্রম করছে। তৃণমূলের দাবি, এতে প্রমাণিত মুখ্যমন্ত্রী সকলের জন্য কাজ করছেন। ‘বাংলার যুব সাথী’ প্রকল্পকে কেন্দ্র করে রাজ্যে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়ছে বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।


