Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: খাস কলকাতার তিলজলা, বেনিয়াপুকুর থানার অন্তর্গত এলাকা। সোমবার গভীর রাতে হঠাৎ পরপর গুলির শব্দে চাঞ্চল্য ছড়ায় গোটা পাড়া জুড়ে (Shoot Out at Kolkata)। অভিযোগ, ব্যক্তিগত বিবাদের জেরেই এক যুবককে লক্ষ্য করে ৫ থেকে ৬ রাউন্ড গুলি চালানো হয়। রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে ভর্তি করা হয়েছে এসএসকেএম হাসপাতালে। বর্তমানে ট্রমা কেয়ার সেন্টারে তাঁর চিকিৎসা চলছে।

ব্যক্তিগত বিবাদ থেকেই চরম পরিণতি (Shoot Out at Kolkata)
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গুলিবিদ্ধ যুবকের নাম মহম্মদ নিয়াজ। সোমবার সন্ধ্যায় নিয়াজের সঙ্গে মহম্মদ সলমনের বচসা বাঁধে। কী নিয়ে এই বিবাদ, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে কথাকাটাকাটি একসময় উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি করে। এলাকার প্রবীণ ও স্থানীয় বাসিন্দারা হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি সামাল দেন। সাময়িকভাবে সমস্যা মিটেছে বলেই মনে করা হয়েছিল। কিন্তু অভিযোগ, সেই শান্তি ছিল ক্ষণস্থায়ী।
গভীর রাতে ডেকে নিয়ে গুলি (Shoot Out at Kolkata)
অভিযোগ অনুযায়ী, গভীর রাতে মহম্মদ সলমন নিয়াজকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপরই আচমকা তাঁকে লক্ষ্য করে পরপর ৫ থেকে ৬ রাউন্ড গুলি চালানো হয়। গুলিবিদ্ধ হয়ে নিয়াজ মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। গুলির শব্দ শুনে ছুটে আসেন স্থানীয়রা। রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে SSKM Hospital-এর ট্রমা কেয়ার সেন্টারে তাঁর চিকিৎসা চলছে। চিকিৎসকরা তাঁর শারীরিক অবস্থার উপর নজর রাখছেন।

অভিযুক্তের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ (Shoot Out at Kolkata)
স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্ত সলমন অপরাধ জগতের সঙ্গে যুক্ত। তাঁর বিরুদ্ধে চুরি, ডাকাতি ও তোলাবাজির মতো একাধিক অভিযোগ রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। যদিও এই ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও তদন্তসাপেক্ষ। পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযুক্ত বর্তমানে পলাতক। তাকে গ্রেফতারের জন্য তল্লাশি শুরু হয়েছে।
আরও পড়ুন: Weather Update: নিম্নচাপের প্রভাবে ভিজছে বাংলা, শীত কি ফিরল আবার?
পুলিশের তদন্ত ও এলাকার উদ্বেগ
বেনিয়াপুকুর থানার পুলিশ ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেছে। আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের জিজ্ঞাসাবাদও চলছে। কী কারণে সন্ধ্যার বচসা গভীর রাতে গুলিচালনার পর্যায়ে পৌঁছল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, জনবহুল এলাকায় এভাবে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার কীভাবে সম্ভব হল? নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ তৈরি হয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে।



