Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনেই ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন এমন খবরে বিশ্বজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। দীর্ঘদিনের উত্তেজনার পর এই হামলা চালানো হয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগে থেকেই ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে আসছিলেন। হামলায় খামেনেইয়ের পরিবারের কয়েকজন সদস্যও নিহত হন। তাঁর স্ত্রী মানসুরেহ খোজাস্তেহ বাঘেরজাদেহ কোমায় থাকার পর মারা যান(Mossad Khamenei)।
খামেনেইকে নজরে রাখে মোসাদ (Mossad Khamenei)
ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ বহু বছর ধরে তেহরানের ট্রাফিক ক্যামেরা হ্যাক করে খামেনেই ও শীর্ষ কর্মকর্তাদের গতিবিধি নজরে রাখছিল। এসব ক্যামেরা মূলত ইরানি সরকারের নজরদারি ব্যবস্থার অংশ হলেও সেখানকার ফুটেজ গোপনে সংগ্রহ করে তেল আবিবে পাঠানো হতো। বিশেষ একটি ক্যামেরা থেকে খামেনেইর নিরাপত্তারক্ষীদের গাড়ি পার্কিং ও দৈনন্দিন রুটিন সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়।
‘প্যাটার্ন অব লাইফ’ (Mossad Khamenei)
মার্কিন ও ইজরায়েলি কর্মকর্তারা জানান, খামেনেই কোথায় থাকেন, কার সঙ্গে দেখা করেন এবং হামলার আশঙ্কায় কোথায় আশ্রয় নিতে পারেন সব তথ্য নিয়ে তৈরি করা হয় ‘প্যাটার্ন অব লাইফ’। মানব গোয়েন্দা তথ্য নিশ্চিত করার পর শনিবার সকালে তেহরানের কম্পাউন্ডে বৈঠকের সময় হামলার সিদ্ধান্ত নেয় যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল। ভোর ছ’টার দিকে ইজরায়েলি যুদ্ধবিমান দুই ডজনের বেশি নির্ভুল অস্ত্র নিক্ষেপ করে। হামলার আগে ওই এলাকায় মোবাইল নেটওয়ার্কও জ্যাম করা হয়।
আরও পড়ুন: EC Vote Date: ৮ মার্চ কলকাতায় কমিশনের ফুল বেঞ্চ : চলতি মাসে ই বিধানসভা ভোটের দিন গোষণা
বহু দশকের পরিকল্পনার ফল (Mossad Khamenei)
প্রায় ৬০ সেকেন্ডে তিনটি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানায় খামেনেইসহ প্রায় ৪০ জন শীর্ষ কর্মকর্তা নিহত হন বলে দাবি করা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই অভিযান ছিল বহু দশকের পরিকল্পনার ফল। এখন খামেনেইর উত্তরসূরি কে হবেন তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। আয়াতুল্লাহ খোমেনির নাতি হাসান খোমে



