Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ফাল্গুনের শেষপ্রহরে যখন (Sri Chaitanya Mahotsav) বাংলার আকাশে রঙের উল্লাস, তখন গঙ্গাতীরবর্তী নবদ্বীপ যেন অন্য এক আবহে জেগে ওঠল, গৌড়ীয় মঠের দোলযাত্রা ও শ্রী চৈতন্যের আবির্ভাব মহোৎসবে।
মহা অভিষেক (Sri Chaitanya Mahotsav)
দোলযাত্রা উপলক্ষে ভোর থেকেই শুরু হয় (Sri Chaitanya Mahotsav) মঙ্গলআরতি,শঙ্খধ্বনি, ঘণ্টানাদ ও কীর্তনের সুরে মন্দিরপ্রাঙ্গণ মুখর হয়ে ওঠে। ফুল, আলোকসজ্জা ও বৈষ্ণব পতাকায় সজ্জিত হয় সমগ্র আশ্রম। ভক্তরা সাদা বা গেরুয়া বস্ত্রে, কপালে তিলক এঁকে, হাতে মালা নিয়ে নামজপে অংশ নেন। অনুষ্ঠীত হয় মহা অভিষেক।

আরও পড়ুন: Vrindavan Holi Incident: রঙের উৎসবেই বিপত্তি! বিদেশিনীর চোখে ছুঁড়ল পাথর!
শুধু নদীয়া জেলা নয়, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত, এমনকি দেশ-বিদেশ থেকেও আগত ভক্তরা এই উৎসবে যোগ দেন।
গৌড়ীয় মিশনের আচার্য্য ও সভাপতি ভক্তি সুন্দর সন্নাসী মহারাজ বলেন, আজ থেকে ৫৪০ বছর আগে চন্দ্রগ্রহনের দিন মহাপ্রভুর আবির্ভাব হয়েছিল। এবছরও চন্দ্রগ্রহনের দিন তাই বিশেষ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মহাপ্রভুর আবির্ভাব তিথি পালিত হচ্ছে। মহাপ্রভুর ৫৪০তম আবির্ভাব বর্ষ উপলক্ষে ৫৪০ টি প্রদীপ প্রজ্জ্বলন ও বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়।

লাল-সাদা বস্ত্র পরিহিত মহিলারা শঙ্খধ্বনি ও উলুধ্বনির মাধ্যমে পরিবেশকে ভক্তিময় করে তোলেন। “হরিবোল” ধ্বনিতে মুখরিত করে তোলেন গোটা এলাকা।
তিনি বলেন,বর্তমান বিশ্বে যখন বিভাজন, হিংসা ও অসহিষ্ণুতা বাড়ছে, তখন শ্রীচৈতন্যের প্রেম ও ঐক্যের বার্তা বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।


