Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: মালদা: রুহুল: মালদহ জেলার মানিকচক ব্লকের মথুরাপুরের বোচাহি এলাকায় হঠাৎ করে ঘটে গেল এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড (Malda)। ঘনবসতিপূর্ণ এই অঞ্চলে প্লাস্টিক সামগ্রীর গুদামে আগুন লাগার ঘটনায় মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে চরম আতঙ্ক। আগুনের লেলিহান শিখা ও কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা এলাকা, সৃষ্টি হয় এক বিভীষিকাময় পরিস্থিতির।
হঠাৎ আগুন, ছড়াল তীব্র চাঞ্চল্য (Malda)

স্থানীয়দের কথায়, হঠাৎ করেই প্লাস্টিকের ক্যারেটের স্তূপ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। প্রথমে ছোট আকারে থাকলেও, অত্যন্ত দাহ্য প্লাস্টিকের কারণে আগুন দ্রুত ভয়ংকর রূপ নেয়। মুহূর্তের মধ্যে কয়েকশো প্লাস্টিকের ক্যারেট জ্বলতে শুরু করে, আর সেই আগুন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন আশপাশের বাসিন্দারা। ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা হওয়ায় আগুন ছড়িয়ে পড়লে বহু বাড়িঘর ভস্মীভূত হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। ফলে স্থানীয়দের মধ্যে শুরু হয় চরম উৎকণ্ঠা ও হইচই।
দমকল না পৌঁছনোয় ক্ষোভ (Malda)
ঘটনার পরপরই দমকলে খবর দেওয়া হলেও, অভিযোগ সময়ে পৌঁছয়নি দমকল বাহিনী। এই নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দেয়। অনেকেই বলেন, দমকল যদি দ্রুত পৌঁছত, তাহলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও কম হতে পারত। তবে দমকলের অনুপস্থিতিতে পরিস্থিতি সামাল দিতে নিজেরাই এগিয়ে আসেন এলাকাবাসী।

স্থানীয়দের তৎপরতায় নিয়ন্ত্রণে আগুন (Malda)
প্রচণ্ড ঝুঁকি নিয়েই স্থানীয়রা জল, বালতি ও বিভিন্ন উপায় ব্যবহার করে আগুন নেভানোর কাজে ঝাঁপিয়ে পড়েন। দীর্ঘ চেষ্টার পর অবশেষে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন তারা। তাদের এই সাহসিকতা ও একতা বড়সড় বিপর্যয় থেকে এলাকা বাঁচিয়েছে বলেই মনে করছেন অনেকেই।
কীভাবে লাগল আগুন, ধোঁয়াশায় কারণ (Malda)
আগুন লাগার সঠিক কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। স্থানীয়দের দাবি, যে প্লাস্টিকের ক্যারেটগুলি বিভিন্ন জায়গায় পাঠানোর জন্য মজুত রাখা হয়েছিল, সেগুলিতেই আগুন ধরে যায়। তবে শর্ট সার্কিট, অসাবধানতা বা অন্য কোনও কারণ কোনটি দায়ী, তা এখনও নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি।
আরও পড়ুন: BJP: বিজেপির প্রার্থী তালিকায় বড় রদবদল, ৮ বিধায়ক বাদ, ১৪ জনের ভাগ্য ঝুলে
ভবিষ্যতের জন্য সতর্কবার্তা
এই ঘটনা আবারও প্রমাণ করল, দাহ্য পদার্থ ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় মজুত রাখা কতটা বিপজ্জনক। নিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘাটতি থাকলে যে কোনও সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। প্রশাসনের তরফে দ্রুত তদন্ত ও ভবিষ্যতে এমন ঘটনা এড়াতে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।



