Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: পশ্চিম এশিয়ায় বাড়তে থাকা অস্থিরতার মধ্যে জ্বালানি সরবরাহ নিরাপদ রাখতে গালফ অব ওমানে নৌ বাহিনী বাড়াচ্ছে ভারত(India Navy Posting)। হিন্দুস্তান টাইমসের (HT) সূত্র অনুযায়ী, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীর কাছে ভারতীয় যুদ্ধজাহাজের সংখ্যা বাড়িয়ে ছয় থেকে সাতটিতে উন্নীত করা হচ্ছে।
পশ্চিম এশিয়াজুড়ে উত্তেজনা বৃদ্ধি (India Navy Posting)
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের ইরানে হামলার পর পশ্চিম এশিয়াজুড়ে উত্তেজনা বেড়েছে, যার প্রভাব পড়েছে বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত তেল পরিবহন রুটে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে বৈশ্বিক অপরিশোধিত তেলের প্রায় ২০ শতাংশ পরিবাহিত হয়। সংঘাতের জেরে এই পথ কার্যত অচল হয়ে পড়েছে, ফলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে।
২২ ভারতীয় জাহাজ আটকে
এই পরিস্থিতিতে ভারত ইরানের উপরও নির্ভর করছে, যাতে তারা ভারতীয় জাহাজগুলোকে হরমুজ প্রণালী পেরিয়ে যেতে দেয়। বর্তমানে প্রণালীর পশ্চিমে অন্তত ২২টি ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজ আটকে রয়েছে বলে শিপিং মন্ত্রকের তথ্য।
জ্বালানি বহনকারী জাহাজে নজর (India Navy Posting)
তবে ঝুঁকি সত্ত্বেও কিছু জাহাজ নৌবাহিনীর নিরাপত্তায় যাতায়াত করছে। ইতিমধ্যেই গালফ অব ওমানে তিনটি ভারতীয় যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন রয়েছে, যারা জ্বালানি বহনকারী জাহাজগুলোর গতিবিধির ওপর নজর রাখছে। সম্প্রতি ‘শিবালিক’ ও ‘নন্দা দেবী’ নামের দুটি এলপিজি ক্যারিয়ার সফলভাবে হরমুজ প্রণালী পেরিয়ে ভারতে পৌঁছেছে, যেগুলোতে মোট ৯২,৭১২ মেট্রিক টন এলপিজি ছিল। এছাড়া ‘জাগ লাডকি’ নামের একটি তেলবাহী জাহাজ গুজরাটের মুন্দ্রা বন্দরে পৌঁছেছে, যা বড় পরিমাণে অপরিশোধিত তেল নিয়ে এসেছে।
আরও পড়ুন: India UAE Talk: অস্থির পশ্চিম এশিয়া, ভারত-আমিরশাহি নয়া কূটনৈতিক আলোচনা
লক্ষ্য জাহাজের নিরাপত্তা (India Navy Posting)
ভারতের এই নৌ উপস্থিতি ‘অপারেশন সংকল্প’-এর অংশ, যা ২০১৯ সালে শুরু হয়েছিল। এর লক্ষ্য ভারতীয় জাহাজগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সমুদ্রপথে বাণিজ্য স্বাভাবিক রাখা। যদিও বর্তমান পরিস্থিতিতে নৌবাহিনী আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন মোতায়েন নিয়ে মন্তব্য করেনি।



