Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ভারতের সামরিক ঘাঁটিগুলিকে লক্ষ্য করে গড়ে ওঠা একটি বড়সড় গুপ্তচরবৃত্তির চক্র ভেঙে দিয়েছে ‘অপারেশন সিঁদুর’(Spy Network)। তদন্তে উঠে এসেছে, পাকিস্তান-ভিত্তিক এক হ্যান্ডলারের নির্দেশে এই চক্রটি অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে কাজ করছিল। লক্ষ্য ছিল দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনায় নজরদারি চালানো।
দেশজুড়ে স্পাই নেটওয়ার্কের ছক (Spy Network)
গোয়েন্দা সূত্রে জানা গিয়েছে, এই নেটওয়ার্ক শুধু একটি নির্দিষ্ট এলাকায় সীমাবদ্ধ ছিল না। বরং গোটা দেশে সামরিক গতিবিধি পর্যবেক্ষণের একটি বৃহৎ পরিকল্পনার অংশ ছিল। স্থানীয় লোকজনকে বিভিন্ন দায়িত্বে নিয়োগ করে ধীরে ধীরে নিরাপত্তা বলয়ের ভেতরে প্রবেশ করেছিল তারা।
রিয়েল-টাইম নজরদারি
চক্রটির মূল কৌশল ছিল সোলার-চালিত সিসিটিভি ক্যামেরা বসিয়ে রিয়েল-টাইম নজরদারি চালানো। প্রথমে দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট এবং সোনিপতে এই ক্যামেরা বসানো হয়। পরে আম্বালার সামরিক ঘাঁটিতেও একই পরিকল্পনা ছিল, যাতে ধারাবাহিকভাবে তথ্য সংগ্রহ করা যায়।
সিসি ক্যামেরায় টানা নজরদারি
এই ক্যামেরাগুলির মাধ্যমে সামরিক ঘাঁটিতে কারা ঢুকছে, কতজন ঢুকছে এবং কী ধরনের কার্যকলাপ চলছে সবই নজরে রাখার পরিকল্পনা ছিল। বিদ্যুৎ সংযোগের উপর নির্ভরশীল না হতে সোলার প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। ফেব্রুয়ারিতে দিল্লি ক্যান্ট রেলস্টেশনের বাইরে একটি ক্যামেরা বসানো হয়েছিল, যা বড় পরিকল্পনার পরীক্ষামূলক ধাপ ছিল।
চক্রে ছয়জন মূল অভিযুক্ত (Spy Network)
এই চক্রে ছয়জন মূল অভিযুক্ত ছিল, যাদের মধ্যে এক নারীও রয়েছেন। সাম্ভলের বাসিন্দা সানে ইরাম ওরফে ‘মেহক’ পাকিস্তানি হ্যান্ডলারের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখতেন। সুহেল অর্থ বণ্টনের দায়িত্বে ছিল। প্রভীন ও রিতিক ক্যামেরা বসানো এবং ফুটেজ পাঠানোর কাজ করত।
আরও পড়ুন: Iran Relief: ইরান যুদ্ধে দেশে রফতানি বাণিজ্যে প্রভাব, ৪৯৭ কোটি টাকার ত্রাণ প্যাকেজ কেন্দ্রের
দেশজুড়ে প্রায় ৫০ জায়গা চিহ্নিত (Spy Network)
তদন্তে আরও জানা গেছে, দেশজুড়ে প্রায় ৫০টি জায়গা চিহ্নিত করা হয়েছিল। ইতিমধ্যে ২৯ জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। এই ঘটনায় জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।



