Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
অভিজিৎ লুইস (নদিয়া): কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: শুক্রবার সকাল থেকেই কৃষ্ণনগর উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রে নির্বাচনী আবহ যেন নতুন মাত্রা পেল (TMC)। দলীয় কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে প্রচারের ময়দানে নেমে পড়লেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী অভিনব ভট্টাচার্য। প্রথম দিনেই তিনি স্পষ্ট করে দিলেন এই লড়াইয়ে তিনি শুধুমাত্র অংশগ্রহণ করতেই আসেননি, জয়ের লক্ষ্য নিয়েই এগোচ্ছেন।

ধর্মীয় আচার দিয়ে সূচনা (TMC)
প্রচারের শুরুতেই আধ্যাত্মিকতার ছোঁয়া। সিদ্ধেশ্বরী কালী মন্দিরে পুজো দিয়ে নিজের নির্বাচনী যাত্রা শুরু করেন অভিনব। এরপর আনন্দময়ী তলা কালীবাড়িতেও পুজো দিয়ে আশীর্বাদ নেন। এই ধর্মীয় আচার শুধু ব্যক্তিগত বিশ্বাসের প্রতিফলন নয়, বরং এলাকার মানুষের সঙ্গে আবেগের বন্ধনকে আরও দৃঢ় করার একটি প্রচেষ্টা বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক মহল।
ব্যবসায়ী মহলে সরাসরি যোগাযোগ (TMC)
পুজো পর্ব শেষ করে তিনি পৌঁছে যান স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে। আনন্দময়ী তলা ও সংলগ্ন এলাকায় দোকানদার ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন, তাদের সমস্যা শোনেন এবং সমাধানের আশ্বাস দেন। নির্বাচনী প্রচারের এই ধরণ ‘ডোর টু ডোর’ যোগাযোগ তার প্রচার কৌশলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠছে।

কে এই অভিনব ভট্টাচার্য? (TMC)
কৃষ্ণনগর পাত্র বাজার এলাকার বাসিন্দা অভিনব ভট্টাচার্য পেশায় একজন ঠিকাদার। রাজনীতির ময়দানে তিনি নতুন মুখ হলেও, এলাকার মানুষদের কাছে একেবারে অপরিচিত নন। বিগত কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কাজে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতে দেখা গেছে তাকে। স্থানীয় ক্লাব, পুজো কমিটি এবং সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে তার নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। ফলে এলাকায় একটি শক্তিশালী সামাজিক ভিত্তি ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে, যা নির্বাচনে বড় ভূমিকা নিতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।
হঠাৎ উত্থান, দ্রুত দায়িত্ব (TMC)
গত মঙ্গলবার সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন অভিনব। আর আশ্চর্যজনকভাবে, সেদিন বিকেলেই তাকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এই দ্রুত উত্থান প্রমাণ করে যে দল তার উপর যথেষ্ট আস্থা রাখছে।
আরও পড়ুন: CEO Complain Cell: ৮ ঘণ্টার মধ্যে অভিযোগ নিষ্পত্তির লক্ষ্য, সিইও দফতরে বিশেষ কমপ্লেন সেল
আত্মবিশ্বাসী প্রার্থী, জয়ের প্রত্যাশা
নিজের জনপ্রিয়তা এবং মানুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগকে হাতিয়ার করে অভিনব ভট্টাচার্য যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী। তার মতে, “মানুষের পাশে থেকে কাজ করেছি, ভবিষ্যতেও করব” এই বার্তাই তিনি পৌঁছে দিতে চাইছেন ভোটারদের কাছে। তার প্রচারে যে উদ্যম এবং সংগঠনের যে সক্রিয়তা দেখা যাচ্ছে, তা ইঙ্গিত দিচ্ছে কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্রে এবারের লড়াই হতে চলেছে যথেষ্ট প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ।



