Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: রাশিয়ার গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ভারত বড়সড় আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের হদিস পেল(NIA Crackdown)। নিউজ১৮-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মায়ানমারের সশস্ত্র জাতিগোষ্ঠীগুলিকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার সঙ্গে যুক্ত একদল বিদেশি নাগরিকের বিষয়ে রাশিয়া ভারতকে সতর্ক করে। সেই সূত্র ধরে তদন্ত জোরদার করে জাতীয় তদন্ত সংস্থা (এনআইএ) এবং শেষ পর্যন্ত সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারদের মধ্যে রয়েছেন এক মার্কিন নাগরিক ম্যাথিউ অ্যারন ভ্যান ডাইক এবং ছয়জন ইউক্রেনীয়।
৭ বিদেশি আটক (NIA Crackdown)
প্রায় তিন মাস ধরে মিজোরাম সীমান্তে সন্দেহজনক গতিবিধি নজরে রাখার পর ১৩ মার্চ এনআইএ একযোগে অভিযান চালায়। কলকাতা, দিল্লি এবং লখনউ এই তিনটি বিমানবন্দরে অভিযান চালিয়ে ৭ বিদেশিকে আটক করা হয়। পরে তাঁদের দিল্লিতে এনে আদালতে পেশ করা হলে প্রথমে তিনদিনের হেফাজত এবং পরে ২৭ মার্চ পর্যন্ত রিমান্ড মঞ্জুর হয়।
ইউক্রেনীয় নাগরিকদের পরিচয় প্রকাশ
ইউক্রেনীয় নাগরিকদের পরিচয়ও প্রকাশ করেছে তদন্তকারী সংস্থা। এরা হলেন পেত্রো হারবা, তারাস স্লিভাক, ইভান সুকমানভস্কি, মারিয়ান স্টেফানে, মাকসিম হোনেরুক এবং ভিক্টর কামিনস্কি।
২০২৪ সাল থেকে চক্র সক্রিয়
তদন্তে উঠে এসেছে, ২০২৪ সাল থেকে এই চক্র সক্রিয় ছিল এবং তারা মায়ানমারে গিয়ে বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীকে প্রশিক্ষণ দিচ্ছিল। তাদের বিশেষ দক্ষতার মধ্যে ছিল ড্রোন যুদ্ধ, ইলেকট্রনিক জ্যামিং এবং ইউরোপ থেকে উন্নত ড্রোন সরঞ্জাম সরবরাহ করা।
অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ইউএপিএ মামলা (NIA Crackdown)
এই ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ইউএপিএ আইনের ১৮ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই কূটনৈতিক মহলেও বিষয়টি নিয়ে চাপানউতোর শুরু হয়েছে। ইউক্রেন তাদের নাগরিকদের জন্য ন্যায্য প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে, অন্যদিকে আমেরিকাও পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে।
আরও পড়ুন: SSKM Suicide: এসএসকেএম-এ কর্মীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, তদন্তে পুলিশ
নেটোয়ার্কের বাকিদের খোঁজে তল্লাশি (NIA Crackdown)
তদন্তকারীদের মতে, এই নেটওয়ার্কে আরও অন্তত ১৪ জন জড়িত থাকতে পারে। তাঁদের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি স্থানীয় সহযোগীদের ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে, যারা এই বিদেশিদের ভারতে প্রবেশ ও সীমান্ত পেরোতে সাহায্য করে থাকতে পারে।



