Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: গুরগাঁওয়ের বাসিন্দারা যখন রান্নার গ্যাসের তীব্র সংকটে ভুগছেন, ঠিক সেই সময় শহরের বুকে শুরু হয়েছে এক অভিনব উদ্যোগ। সোহনা সেক্টর ৩৩-এর সেন্ট্রাল পার্ক ফ্লাওয়ার ভ্যালিতে চালু হয়েছে এলপিজি ভেন্ডিং মেশিন, যা সাধারণভাবে ‘গ্যাস এটিএম’ নামে পরিচিত(Gas ATM)। ভারত পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন লিমিটেড (BPCL)-এর উদ্যোগে চালু হওয়া এই প্রকল্পটি দিল্লি-এনসিআর অঞ্চলের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পাইলট উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
‘গ্যাস এটিএম’ (Gas ATM)
এই ‘গ্যাস এটিএম’-এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হল এর সহজ এক্সচেঞ্জ ব্যবস্থা। গ্রাহকরা খালি সিলিন্ডার জমা দিয়ে মুহূর্তের মধ্যে পূর্ণ সিলিন্ডার পেয়ে যান। পরিষেবাটি সম্পূর্ণ কনট্যাক্টলেস গ্রাহককে প্রথমে নিজের রেজিস্টার্ড মোবাইল নম্বর দিতে হয়, তারপর ওটিপি ভেরিফিকেশন করতে হয়। এরপর কিউআর কোড স্ক্যান করে ইউপিআই বা ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে পেমেন্ট করলেই মেশিন থেকে বেরিয়ে আসে নতুন সিলিন্ডার।
আধুনিক কম্পোজিট সিলিন্ডার (Gas ATM)
এখানে ব্যবহৃত হচ্ছে আধুনিক কম্পোজিট সিলিন্ডার, যা প্রচলিত লোহার সিলিন্ডারের তুলনায় অনেক হালকা। যেখানে সাধারণ সিলিন্ডারের ওজন প্রায় ৩০ কেজি, সেখানে এই নতুন সিলিন্ডারের ওজন মাত্র ১৫ কেজি। এছাড়া এগুলি স্বচ্ছ হওয়ায় ভিতরে কতটা গ্যাস বাকি আছে, তা সহজেই দেখা যায়।
আরও পড়ুন: Indian Rupee: ভারতীয় টাকার ইতিহাসে নয়া দলিল, প্রথমবার ডলারের নিরিখে রেকর্ড কমল টাকার দাম
কার্যকর সমাধান (Gas ATM)
২৪ ঘণ্টা খোলা থাকা এই মেশিনে একসঙ্গে প্রায় ১০টি সিলিন্ডার রাখা যায়। মজুত কমে গেলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্থানীয় ডিস্ট্রিবিউটরকে বার্তা পাঠানো হয়। বর্তমানে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির কারণে ভারতের গ্যাস সরবরাহ চাপে রয়েছে। হরমুজ প্রণালীতে বিঘ্ন ঘটায় আমদানি ব্যাহত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ‘গ্যাস এটিএম’ ভবিষ্যতে অন্যান্য শহরের জন্যও কার্যকর সমাধান হতে পারে।



