Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: রবিবার, ২২ মার্চ বিশ্ব জল দিবস। এবারের থিম “জল ও লিঙ্গ” যা শুধু প্রতীকী নয়, বরং বাস্তবে এক গভীর বৈষম্যের স্বীকৃতি (World Water Day)। বিশ্বজুড়ে জল সংকট সবার উপর সমানভাবে প্রভাব ফেলে না; এর সবচেয়ে বড় বোঝা বহন করেন নারী ও কিশোরীরা।
জল সংগ্রহের দায়িত্ব নারীদের (World Water Day)
জাতিপুঞ্জের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, নিরাপদ জল ও শৌচাগারের অভাব নারীদের অধিকার ও স্বাস্থ্যের উপর সরাসরি আঘাত হানে। বিশ্বে এখনও ২.১ বিলিয়নের বেশি মানুষ নিরাপদ পানীয় জলের সুযোগ থেকে বঞ্চিত। যেসব পরিবারে পাইপলাইনের জল নেই, সেখানে ৭০-৮০ শতাংশ ক্ষেত্রে জল সংগ্রহের দায়িত্ব নারীদের উপর পড়ে। ৫৩টি দেশে নারীরা প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২৫ কোটি ঘণ্টা সময় ব্যয় করেন শুধু জল আনতেই।
জল সংক্রান্ত খাতে নারীরা কোথায়?
জল সংগ্রহের বাইরেও নারীদের দায়িত্ব শেষ হয় না। দূষিত জলের কারণে অসুস্থ সদস্যদের যত্ন সবই তাদের উপর বর্তায়। দূরবর্তী উৎস থেকে জল আনতে গিয়ে তাদের নিরাপত্তার ঝুঁকিও নেন। অথচ জলের ব্যবস্থাপনা বা নীতিনির্ধারণে তাদের অংশগ্রহণ খুবই কম। প্রায় ১৪ শতাংশ দেশে এখনও নারীদের সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার কোনও কাঠামো নেই, আর বিশ্বব্যাপী জল সংক্রান্ত খাতে নারীদের উপস্থিতি মাত্র এক-পঞ্চমাংশের কিছু বেশি।
নেতৃত্বে নারীদের প্রয়োজন (World Water Day)
বিশ্ব জল দিবস ২০২৬ একটি অধিকারভিত্তিক পরিবর্তনের আহ্বান জানায়। জল শুধু প্রয়োজন নয়, এটি মৌলিক মানবাধিকার। নারীদের কেবল ব্যবহারকারী নয়, নেতা ও নীতিনির্ধারক হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে। গবেষণা বলছে, নারীদের নেতৃত্বে পরিচালিত জল উদ্যোগগুলি বেশি কার্যকর ও টেকসই হয়।
আরও পড়ুন: Iran New Note: যুদ্ধ ও আর্থিক চাপের মধ্যে ইরানে নয়া নোট চালু, এটিএম-এ লম্বা লাইন
লিঙ্গসমতা অপরিহার্য (World Water Day)
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে সবার জন্য নিরাপদ জল নিশ্চিত করতে হলে লিঙ্গসমতা অর্জন অপরিহার্য। কারণ, যেখানে সমতা বাড়ে, সেখানেই পানি সংকটের সমাধান এগোয়।



