Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: প্রায় পাঁচ দশক পর আবার চাঁদের উদ্দেশে (Nasa Moon Mission) মানুষ পাঠানোর ঐতিহাসিক প্রস্তুতি নিচ্ছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। শেষ অ্যাপোলো অভিযানের পর দীর্ঘ ৫০ বছরেরও বেশি সময় কেটে গিয়েছে। এবার সেই বিরতির অবসান ঘটিয়ে নতুন করে গভীর মহাকাশ অভিযানে পা রাখতে চলেছে মানবসভ্যতা। কারিগরি জটিলতার কারণে ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসে উৎক্ষেপণ পিছিয়ে গেলেও, অবশেষে ১ এপ্রিল (আমেরিকার সময়) এই গুরুত্বপূর্ণ অভিযানের প্রস্তুতি সম্পূর্ণ হয়েছে।
দীর্ঘদিন চন্দ্রাভিযান বন্ধ (Nasa Moon Mission)
১৯৭২ সালে অ্যাপোলো ১৭ অভিযানের মাধ্যমে শেষবারের (Nasa Moon Mission) মতো মানুষ চাঁদের মাটিতে পা রেখেছিল। সেই সময় চাঁদ থেকে আনা পাথর বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা মনে করেছিলেন, সেখানে জলের অস্তিত্ব নেই। ফলে দীর্ঘমেয়াদে মানুষের বসবাসের সম্ভাবনাও খুবই ক্ষীণ বলে ধরা হয়েছিল। সেই কারণেই দীর্ঘদিন চন্দ্রাভিযান বন্ধ ছিল।

আর্টেমিস-৩ মিশন (Nasa Moon Mission)
তবে প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে নতুন করে আশার আলো দেখছেন বিজ্ঞানীরা। নাসার আর্টেমিস কর্মসূচির মাধ্যমে তিন ধাপে এই অভিযান সম্পন্ন করা হবে। দ্বিতীয় ধাপ অর্থাৎ আর্টেমিস-২ মিশনে মহাকাশচারীরা পৃথিবীর কক্ষপথ ছেড়ে চাঁদের কাছাকাছি পৌঁছে একবার প্রদক্ষিণ করে ফিরে আসবেন। আর তৃতীয় ধাপে, আর্টেমিস-৩ মিশনে, মানুষ আবার চাঁদের মাটিতে পা রাখবে।

কখন দেখা যাবে?
এই ঐতিহাসিক উৎক্ষেপণ হবে আমেরিকার ফ্লরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে। ভারতীয় সময় অনুযায়ী ২ এপ্রিল ভোরে এই দৃশ্য দেখা যাবে। নাসার সরকারি ইউটিউব চ্যানেল ও ওয়েবসাইটে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে এই অভিযান। এই মিশনে অংশ নিচ্ছেন চার মহাকাশচারী-রিড ওয়াইসম্যান, ভিক্টর গ্লোভার, ক্রিস্টিনা কচ এবং জেরেমি হ্যানসেন। তাঁদের হাত ধরেই নতুন ইতিহাস রচনার পথে এগোচ্ছে মানবসভ্যতা।


