Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: আইপিএল-এর প্রথম ম্যাচে লখনউ সুপার জায়ান্টসের ব্যাটিং রং হারাল। জয় দিয়ে যাত্রা শুরু দিল্লির (Lucknow Super Giants)।
১১৯ রানের জুটিতে জয় দিল্লির (Lucknow Super Giants)
সঞ্জীব গোয়েঙ্কা আর কেএল রাহুল। ম্যাচ হারের পর দুজনকেই বাকযুদ্ধে জড়াতে দেখা গেছিল। সেই স্মৃতি আবার ফিরল। এ যেন ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি। শুধু সঞ্জীব গোয়েঙ্কার উল্টো দিকের চরিত্র বদলে গিয়েছে। আইপিএল-এর প্রথম ম্যাচেই মুখ থুবড়ে পড়ল সঞ্জীব গোয়েঙ্কার দল আর তারপরেই পন্থের সঙ্গে তাঁকে কথা বলতে দেখা যায়। সেই ভিডিও-তে পন্থকে যথেষ্ঠ বিব্রত দেখায়। আলোচনায় জড়িয়ে পড়েন ল্যাঙ্গারও। সেই সময় মনে পড়ে যায় সকলের কেএল রাহুলের কথা এবং জার্সি বদলের পর রাহুলের রণ-হুঙ্কার (Lucknow Super Giants)।
দিল্লি ক্যাপিটাসলের কাছে ৬ উইকেটে হারতে হয়েছে লখনউ সুপার জায়ান্টসকে। প্রথমে ব্যাট ঋষভ পন্থরা করে ১৪১ রান। জবাবে অক্ষর প্যাটেলরা ১৭.১ ওভারে ৪ উইকেটে করল ১৪৫ রান।
যেখানে বাকি ম্যাচে ২০০ প্লাস রান তাড়া করেও ম্যাচ জিতে যাচ্ছে দল সেখানে ১৪১ রান যে কিছুই নয় সেটা সকলের জানান। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এই অল্প পুঁজি নিয়ে লড়াই করা কঠিন। কিন্তু সামি আপ্রাণ চেষ্টা করেন দলকে সেই কঠিন পরিস্থিতি থেকে বের করতে। প্রথম বলেই তারকা ব্যাটার রাহুলকে ফেরান শূন্য রানে। সেই ধাক্কা যে শুরুতে বিফলে গেছিল তা নয়। এরপর লখনউ সুপার জায়ান্টসের বোলারেরা পাথুম নিশঙ্ক (১), নীতীশ রানা (১৫), অক্ষরদের (০) দ্রুত সাজঘরে ফেরত পাঠিয়ে চাপ তৈরি করেও ফেলে। কিন্তু যেখানে পুঁজি এত কম সেখানে ম্যাচ জেতা একপ্রকার অসম্ভব হতে থাকে। যার ফলস্বরূপ ঘরের মাঠে ম্যাচ হেরে যায় ঋষভ পন্থের লখনউ (Lucknow Super Giants)।

তবে একসময় ২৬ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় দিল্লি। সেই সময় মনে হতে থাকে দিল্লি খেলা থেকে ছিটকে যেতে চলেছে। কিন্তু সময় খেলা সমসময় অনিশ্চিত, যেকোন সময়ে খেলার ফলাফল পাল্টে যেতে পারে। সেটাই হলো এই দিনের ম্যাচে। এক সময় খেলার বাইরে মনে হচ্ছিল যে দলকে সেই দলকেই স্বস্তিকর জায়গায় নিয়ে আসেন রিজভি এবং স্ট্রিস্টান স্টাবসের জুটি। পঞ্চম উইকেটের জুটিতে তোলেন ১১৯ রান। রিজভি ৪৭ বলে ৭০ রানের দুরন্ত ইনিংস খেললেন আর অন্যদিকে স্টাবস অপরাজিত থাকলেন ৩৯ রানে।

লখনউ অধিনায়কই শুরুতে আউট হন বাজে ভুল করে। বারবার সেই কারণে পন্থের দক্ষতা থাকলেও সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে। আন্তর্জাতিক বহু ম্যাচেই দেখা গেছে এমন ভুল করে আউট হয়েছেন যেন কোনও নবিশ ব্যাট করতে নেমেছে। শুরু থেকেই ধাক্কা খেতে থাকে পন্থের দল।

আরও পড়ুন: Mamata Banerjee: বাংলাকে বিক্রি করে দেবে: শাহকে তীব্র আক্রমণ মমতার
মিচেল মার্শের শটে মুকেশ কুমারের পায়ে লেগে উইকেট ভাঙে আর সেই সময় পন্থ ক্রিজ ছেড়ে বেশ বাইরে। আর তাতে যা হওয়ার সেটাই হয়েছে। রান আউট হয়ে ফেরেন ড্রেসিং রুমে। এর পর থেকে নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারায় লখনউ। এডেন মার্করাম (১১), আয়ুষ বাদোনি (০), নিকোলাস পুরানেরা (৮) দলকে ভরসা দিতে পারেননি। মিচেল মার্শ কিছুটা চেষ্টা চালান কিন্তু ৩৫ রান এমন কিছু দলকে সাহায্য করতে পারেনি। অন্যদিকে আব্দুল সামাদ করেন ৩৬। বাকি কোনও ব্যাটার ২০-র গণ্ডি পার করতে পারেনি।

হারের জন্য ব্যাটসম্যানদের কাঠগড়ায় তুললেন পন্থ। লখনউয়ের অধিনায়ক জানান, বোলাররা শুরুতে উইকেট থেকে কিছুটা সাহায্য পায়। কিন্তু ব্যাটারদের গাফিলতিতেই হার। পন্থ বলেন, ‘নতুন বলে বোলাররা কিছুটা সাহায্য পায়। কিন্তু আমরা পার্টনারশিপ গড়তে পারিনি। রান বেশি না থাকলে, কিছু সিদ্ধান্ত নিতে হয়। যেমন কোনও ব্যাটারকেও বল করতে দেওয়া (Lucknow Super Giants)।’


