Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: অ্যাপ্রেইজাল সিজন এলেই কর্মীদের মধ্যে বাড়ে প্রত্যাশা বেতন বাড়বে, পদোন্নতিও মিলবে। কিন্তু বাস্তবে অনেকেই হতাশ হন। ঠিক এই সময়েই স্বস্তির বার্তা দিল পাঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্টের এক গুরুত্বপূর্ণ রায়(Promotion Court)।
পদোন্নতির জন্য বিবেচনা মৌলিক অধিকার (Promotion Court)
সম্প্রতি আদালত জানিয়েছে, পদোন্নতি পাওয়া মৌলিক অধিকার নয়, তবে পদোন্নতির জন্য বিবেচিত হওয়া একটি মৌলিক অধিকার। এই রায়টি এসেছে অমৃতসরের মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের বিরুদ্ধে জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার কুলওয়ন্ত সিংয়ের মামলায়।
পদোন্নতির জন্য যোগ্য
কুলওয়ন্ত সিং অভিযোগ করেন, তিনি সাত বছর চাকরি সম্পূর্ণ করেও ডিপার্টমেন্টাল প্রোমোশন কমিটি (DPC)-র বৈঠকে বিবেচিত হননি, যদিও একাধিক পদ খালি ছিল। রাজ্য পক্ষ দাবি করে, তাঁর পার্ট-টাইম ডিপ্লোমা বৈধ নয়। তবে বিচারপতি হরপ্রীত সিং ব্রার বলেন, সংশোধিত নিয়ম অনুযায়ী কর্মরতদের ক্ষেত্রে ওই ডিগ্রি বাধ্যতামূলক নয়, ফলে তিনি পদোন্নতির জন্য যোগ্য।
আদালতের স্পষ্ট দাবি
আদালত স্পষ্ট জানায়, সংবিধানের ১৪ ও ১৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সমান সুযোগের অধিকার থেকেই পদোন্নতির জন্য বিবেচিত হওয়ার অধিকার আসে। DPC দেরিতে হওয়া কর্মীদের আর্থিক ক্ষতি করে এবং ভবিষ্যৎ কেরিয়ারেও প্রভাব ফেলে।
ন্যায্যভাবে বিবেচনাই প্রয়োজন (Promotion Court)
তবে একটি বিষয় পরিষ্কার প্রত্যেক কর্মী পদোন্নতি পাবেন এমন নয়। ১৯৯১ সালে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছিল, পদোন্নতি নয়, বরং ন্যায্যভাবে বিবেচিত হওয়াই অধিকার। ১৯৯৯ সালের অজিত সিং মামলাতেও এই অবস্থান পুনর্ব্যক্ত হয়।
আরও পড়ুন: EC Supplementary List: ৫২ লক্ষ ‘বিবেচনাধীন’ ভোটারের নিষ্পত্তি, অষ্টম অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশ কমিশনের
শক্তিশালী আইনি হাতিয়ার (Promotion Court)
এই রায়ের বড় তাৎপর্য হলো প্রোমোশন প্রক্রিয়া হতে হবে স্বচ্ছ, বৈষম্যহীন এবং সময়মতো। একই পরিস্থিতির কর্মীদের সমানভাবে বিবেচনা না করলে তা সংবিধান লঙ্ঘন বলে গণ্য হবে। এই রায় কর্মীদের হাতে শক্তিশালী আইনি হাতিয়ার তুলে দিল, আর সংস্থাগুলোর জন্য বার্তা প্রোমোশন প্রক্রিয়া আরও সুশৃঙ্খল ও ন্যায্য করতে হবে।



