Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: টানা দুই ম্যাচ হেরে সমালোচনার স্বীকার হতে হয়েছে চেন্নাই অধিনায়ক কিন্তু তাঁর মতে দুজন প্লেয়ার ম্যাচ হারের জন্য দায়ী (Ruturaj Gaikwad)।
কাদের ঘাড়ে দোষ দিলেন ঋতুরাজ? (Ruturaj Gaikwad)
নিন্দুকেরা বলে মানুষের তিনটে হাত। ডানহাত, বামহাত আর অজুহাত। সেই প্রবাদই কি তবে সত্যিই করে দিলেন চেন্নাই অধিনায়ক ঋতুরাজ? ধোনিহীন চেন্নাই কেন সমর্থকরা ভাবতে পারেন না তার কারণ বোঝা যায় পরিসংখ্যান দেখলেই। ৭টি ম্যাচের মধ্যে একটি ম্যাচে জিতেছে, যার মধ্যে ২০২৬ সালের দুটি আইপিএল ম্যাচ রয়েছে। সুতরাং ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার হিসেবে দল যেই থাকুক না কেন দলের আসল ইমপ্যাক্ট পড়ে ধোনির থাকা এবং না থাকতে। থাকলে পজিটিভ আর না থাকলে নেগেটিভ (Ruturaj Gaikwad)।
প্রতিটা গল্পের বুনন শুরুতে লেখক, পরে চিত্রনাট্যকার এবং পরিচালকের হাতে যায়। কিন্তু সেটে শুটিং চলাকালীন ডিরেক্টর না থাকলে যে সেটার আউটপুট আশানরুপ হয় না সেটা কমবেশি সকলেই মানবে। চেন্নাইয়ের ক্ষেত্রেও তাই হচ্ছে। ধোনিহীন চেন্নাই ২০৯ রান করেও প্রতিপক্ষকে কোনও চ্যালেঞ্জ দিতে পারছে না। রাজস্থানের বৈভব ঝড়ের পর পাঞ্জাবের কাছে লজ্জার হার আর এরপরেও হতাশার অন্ধকারে সমর্থকরা। কিন্তু ম্যাচ হেরে ঋতুরাজ দায় চাপালেন দুজন ক্রিকেটারের উপর।

অধিনায়কের নিশানায় দুই স্পিনার রাহুল চাহার এবং নূর আহমেদ। ইমপ্যাক্ট প্লেয়ারের তালিকায় জেমি ওভারটন, গুরজপনীত সিংয়ের মতো দুই পেসার থাকলেও স্পিনার চাহারের উপর ভরসা দেখিয়েছিল দল। অধিনায়কের মতে সেই সিদ্ধান্ত কাজে আসেনি। খেলা শেষে ঋতুরাজ বলেন, ‘‘দলে তিন পেসার ছিল। তাই ভেবেছিলাম দুই রিস্ট স্পিনারকে খেলাব। মনে হয়েছিল, দু’জন মাঝের ওভারে বল করলে আমাদের সুবিধা হবে (Ruturaj Gaikwad)।’

তবে সেই পরিকল্পনা যে ব্যর্থ হয়েছে সেটা জানিয়ে রুতুরাজ বলেন, ‘দু’জনেরই দিনটা ছিল না। সেটাই আমাদের ডুবিয়ে দিল। ক্রিকেটে কখনও পরিকল্পনা খুব ভালভাবে কাজে লাগে। আবার কখনও কাজে লাগে না। পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে দ্বিতীয়টাই হয়েছে। আর সেই কারণেই আমাদের হারতে হল।’
আরও পড়ুন: Metro Service Disrupted: কালীঘাট মেট্রোতে অঘটন, ভোগান্তিতে যাত্রীরা!
চেন্নাই অধিনায়ক আরও বলেছেন, একটা সময় ছিল যখন প্রয়োজনীয় রানরেট ১১ করে ছিল। সেই সময় কয়েকটা ওভার চাপে রাখতে পারলে প্রয়োজনীয় রানরেট বেড়ে ১২–১৩ হয়ে যেত, যা ব্যাটারদের উপর চাপ সৃষ্টি করতে পারত। উইকেট পড়লে চাপ আরও বাড়ত। সেটা যে দল করতে পারেনি সেটা মেনে নিয়েছেন ঋতুরাজ। অধিনায়ক বলেন, ‘ওদের চাপ দিতে পারলে খেলাটা ঘুরে যেত।’ চেন্নাইয়ের দুই স্পিনার আট ওভারে ৮৪ রান দেন। কোনও উইকেট নিতে পারেননি তাঁরা। দলের তিন পেসার ১০.৪ ওভারে ১২৫ রান দেন। পেসাররা বেশি রান দিলেও ৪টি উইকেট নিয়েছেন। স্পিনাররা নিজেদের কাজ করতে বাধ্য হয়েছেন (Ruturaj Gaikwad)।


