Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বিধানসভা নির্বাচনের আর হাতে এক (Suman Roy Chaudhuri) মাসও বাকি নেই। জেলায় জেলায় প্রচার শুরু করেছেন শাসক-বিরোধী দলের প্রার্থীরা। এবার মানিকতলায় চতুর্মুখী লড়াই। তার মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হয়েছেন শ্রেয়া পাণ্ডে, বিজেপি প্রার্থী করেছে তাপস রায়কে আর কংগ্রেসের প্রার্থী হয়েছেন সুগত (সুমন) রায়চৌধুরী। ২০০৯ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত সব নির্বাচনে জিতেছে তৃণমূল। উপনির্বাচনেও ছিল বড় ব্যবধান। এবারের ২০২৬ সালের নির্বাচনে কি কংগ্রেস জায়গা করে নিতে পারবে? কেটিভি বাংলার সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে কী বললেন মানিকতলা বিধানসভা কেন্দ্রের কংগ্রেস মনোনীত প্রার্থী সুগত (সুমন) রায়চৌধুরী?
কঠিন লড়াই (Suman Roy Chaudhuri)
নির্বাচনের এই লড়াই সম্পর্কে তিনি (Suman Roy Chaudhuri) জানান, “লড়াই কঠিন দুই দিক থেকে। একদিকে অঢেল অর্থে বলীয়ান হয়ে বিজেপি ও তৃণমূল ময়দানে নেমেছে। আরেকদিকে বিজেপির সঙ্গে আমাদের নীতিগত লড়াই। সাম্প্রদায়িকতার ইস্যু লড়াই। একদিকে অঢেল অর্থ আর গুন্ডাবাজি, আরেকদিকে তীব্র ধার্মিক মেরুকরণ। এই দুটোর বিরুদ্ধে কংগ্রেসকে লড়তে হবে। আজ হয়তো কংগ্রেস ভারতবর্ষে মাত্র ৫ টি রাজ্যে ক্ষমতায় আছে, কিন্তু কোনোদিন ধার্মিক মেরুকরণকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে গ্রহণ করেনি। আর আজকেও কংগ্রেস সংবিধান, ধর্ম নিরপেক্ষতা, প্রগতিশীলতা, শিল্পায়ন, মানুষের চাকরি, মাথার ছাদ এই ইস্যুতেই কংগ্রেস পথে নেমেছে। মানিকতলাতেও এই ইস্যুতেই লড়াইয়ে থাকবে।”

কোন কোন ইস্যুতে লড়াই? (Suman Roy Chaudhuri)
“মানুষের মনে ধর্মের আফিঙের ইনজেকশন বিজেপি ঢুকিয়ে দিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সহযোগিতায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২০১১ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে আরএসএস-এর শাখা চতুর্গুণ হয়ে গেছে। কিন্তু উনি নাকি বিজেপি বিরোধী। সিএএ, এনআরসি, ওয়াকফ আমেন্ডমেন্ট, এসআইআর হতে দেব না বলে উনি যে ঢপবাজিগুলো করে যান, মানুষ তা আর বিশ্বাস করছে না। মানিকতলা কেন্দ্রে যে সমস্যাগুলো হয়েছে সেগুলো বিশেষ করে গণতন্ত্রের পরিপন্থী। ওখানে বিরোধী রাজনৈতিক দল ও রাজনৈতিক কর্মীদের বেঁচে থাকা খুব কঠিন। এতটাই তীব্র দখলদারি মানসিকতা রয়েছে শাসকদলের। তার সঙ্গে অর্থবল, পেশীবল এটা একটা সমস্যা। মানিকতলার মত হাইপ্রোফাইল কেন্দ্রে জলনিকাশী ব্যবস্থা অত্যন্ত খারাপ।

খেলার মাঠের চারিদিকে জঞ্জাল পড়ে আছে। কলকাতা পুরসভার পরিষেবা মানিকতলা কেন্দ্রে পুরো ব্যর্থ। তৃতীয়ত, প্রোমোটার, রাজনৈতিক নেতা, পুলিশের যোগসাজস। বেআইনি প্রোমোটারদের সঙ্গে সেটিং। সবমিলিয়ে মানিকতলা হয়েছে দুর্নীতির আঁতুরঘর। তার বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলতে হবে। ভাতা তো ভৰিষ্যৎ হতে পারে না। বাংলার মাননীয়া এটার সঙ্গে মুড়ি-ঘুগনি-চপ বিক্রিটাকেই ভবিষ্যৎ বলেছেন। শিল্পায়ন, শিল্প পরিকাঠামোর উন্নয়ন, শিক্ষা ব্যবস্থা, চাকরি বিক্রি নামক শব্দ অভিধানে থাকবে না, গুন্ডাবাজির শেষ এটাই চায়।”
বাংলার অর্থনীতি সম্পর্কে তিনি বলেন যে ৫০ বছর সময় লাগবে অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে। বাংলাকে পুরো শেষ করে দিয়েছে, দেউলিয়া করে দিয়েছে। মমতা ব্যানার্জি প্যাথলজিকাল লায়ার।
আরও পড়ুন: Modi Meeting Haldia: দেশ এগোচ্ছে, পিছিয়ে বাংলা: মমতা সরকারকে আক্রমণ মোদির!
তিনি আরও বলেন ২০২৬ হচ্ছে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ, যেখানে গণদেবতা কংগ্রেসকে আশীর্বাদ করবেন।
পুরো ভিডিওটি দেখুন:


