Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বুমরাকে নিয়ে বড় দাবি করলেন পাক তারকা ব্যাটার সাহিবজাদা ফারহান (Sahibzada Farhan)।
পাক তারকার বড় মন্তব্য (Sahibzada Farhan)
বর্তমানে পাকিস্তানের সঙ্গে আইসিসি টুর্নামেন্টে যতবার ভারত মুখোমুখি হয়েছে ততবারই অবলীলায় পাকিস্তানকে হারিয়ে জয় ছিনিয়ে নিয়েছে ভারতীয় শিবির। এশিয়া কাপে পাকিস্তানের পারফরম্যান্স মিয়া সমালোচনা হলেও কিছুটা দলকে লড়াইতে রাখার চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছিলেন সাহিবজাদা ফারহান। এবার পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি দলের ওপেনার ২০২৫ এশিয়া কাপে বুমরার মুখোমুখি হওয়ার অভিজ্ঞতা নিয়ে বড় মন্তব্য করলেন (Sahibzada Farhan)।
এশিয়া কাপে পাকিস্তান যতবার ভারতের মুখোমুখি হয়েছে ততবারই নাস্তানাবুদ হতে হয়েছে। তবে সীমিত ওভারের ফরম্যাটে বিপক্ষের ব্যাটারদের যে হার্ডেল সবথেকে বেশি ফেস করতে হয় বা যার কাছে বারবার পরাস্ত হতে হয় সেই হার্ডেলের নাম হল বুমরা। পাকিস্তানের জন্যও একই। পাকিস্তান টি-টোয়েন্টি দলের ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান বলেন যে কোন পর্যায়ে ব্যাটসম্যানদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে পারেন বুমরা। যে কোন সময়েই তিনি হয়ে উঠতে পারেন ভয়ঙ্কর।

এরপরেও ফারহান ভারতের এই বিধ্বংসী বোলারকে সামলাতে সক্ষম হয়েছিলেন। তিনটি ছক্কাও হাঁকিয়েছিলেন বুমরাকে। বুমরার মত বোলারকে একটি ছক্কা মারাও যেখানে মারাত্মক কঠিন সেখানে তিনটি ছয় মুখের কথা নয়। ৩৪ বলে ৫১ রান করেছিলেন বুমরার বিরুদ্ধে তিনি। যার মধ্যে রয়েছে তিনটি ছয় এবং চারটি চার (Sahibzada Farhan)।
বুমরা সম্পর্কে ফারহান বলেন, ‘আমি মনে করি না যে ওই (ভারতীয়) দলে শুধু বুমরাই ছিল। বাকিরাও সেরা। যেমন অক্ষর প্যাটেল এবং কুলদীপ যাদব। তাই বিষয়টা শুধু বুমরাকে নিয়ে নয়। তবে আমি শুরুটা বুমরার বিরুদ্ধে ভাল করেছিলাম। ভাল বোলারকে ছক্কা মারলে একজন খেলোয়াড় হিসেবে আত্মবিশ্বাস আসে।’ ফাইনালে ফারহান ৩৮ বলে ৫৭ রান করেন। তবে তিলক ভার্মার পারফরম্যান্স শেষ পর্যন্ত ভারতের জয় এবং খেতাব নিশ্চিত করে।
আরও পড়ুন: Mumbai Local: যাত্রী নিরাপত্তায় নয়া পদক্ষেপ: মুম্বইয়ের নন এসি লোকালেও স্বয়ংক্রিয় দরজা
ফারহান আরও বলেন, ‘শুরুতে বেশ বেগ দিয়েছিল আমাকে। স্লোয়ার বল, ইয়র্কার এবং বাউন্সার করছিল। বুমরা বল সুইং করায়, ইনসুইং-আউটসুইং দুটোই করে। তাই ওকে খেলা সত্যিই কঠিন। ওর বিরুদ্ধে নিজেকেই নিজের পথ খুঁজে নিতে হয়। আর একবার সেই ধাপ অতিক্রম করতে পারলে বাকি বোলারদের তুলনামূলকভাবে সহজ মনে হয়।’ পাকিস্তানের এই ওপেনার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ৬ ম্যাচে করেছিলেন ৩৮৩ রান আর অন্যদিকে বুমরা নিয়েছিলেন ৮ ম্যাচে ১৪টি উইকেট (Sahibzada Farhan)।


