Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাম্প্রতিক ভাষণকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক আরও তীব্র আকার নিল (Narendra Modi)। আদর্শ নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনের কাছে চিঠি পাঠালেন দেশের প্রায় ৭০০ জন বিশিষ্ট নাগরিক। তাঁদের অভিযোগ, সরকারি সম্প্রচার মাধ্যমকে ব্যবহার করে জাতির উদ্দেশে ভাষণের আড়ালে বিরোধী দলগুলির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক আক্রমণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী, যা স্পষ্টতই আচরণবিধির পরিপন্থী।

সরকারি মঞ্চে রাজনৈতিক বার্তা? (Narendra Modi)
প্রসঙ্গত, লোকসভায় আসন সংখ্যা বৃদ্ধি করে মহিলা সংরক্ষণ কার্যকর করার লক্ষ্যে কেন্দ্র সরকারের আনা সংবিধান সংশোধনী বিলটি গত শুক্রবার খারিজ হয়ে যায়। সেই ঘটনার পরের দিন, শনিবার রাতে দূরদর্শন, সংসদ টিভি ও আকাশবাণীর মতো সরকারি প্ল্যাটফর্মে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী।
৭০০ বিশিষ্টজনের অভিযোগপত্র (Narendra Modi)
অভিযোগকারীদের দাবি, ওই ভাষণে সংরক্ষণ ইস্যুর আড়ালে সম্ভাব্য আসন পুনর্বিন্যাস ও বৃদ্ধির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি Indian National Congress এবং All India Trinamool Congress-সহ বিভিন্ন বিরোধী দলকে ‘মহিলা বিরোধী’ হিসেবে তুলে ধরে রাজনৈতিকভাবে আক্রমণ করা হয়েছে। তাঁদের মতে, এই ধরনের বক্তব্য নির্বাচনের সময় সরকারি মাধ্যমে প্রচার হওয়া আচরণবিধির লঙ্ঘন।
সংবিধান সংশোধনী বিল ও তার প্রেক্ষাপট (Narendra Modi)
প্রধানমন্ত্রীর ওই ভাষণের পরপরই বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির পক্ষ থেকে একই অভিযোগ সামনে আনা হয়। তাঁদের বক্তব্য ছিল, সরকারি সম্প্রচার মাধ্যমকে রাজনৈতিক প্রচারের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। এবার সেই অভিযোগেই সুর মেলালেন দেশের প্রাক্তন আমলা, সমাজকর্মী, শিক্ষাবিদ এবং অবসরপ্রাপ্ত বিচারক-সহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি।

আরও পড়ুন: Manipur Earthquake: অশান্তির মাঝেই ভূমিকম্পে কাঁপল মণিপুর
বিরোধী দল বনাম সরকার
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাড়ুতে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে এই ধরনের বক্তব্য নির্বাচনী পরিবেশকে প্রভাবিত করতে পারে। তাই দ্রুত বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। এই অভিযোগপত্র মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে পাঠানো হয়েছে বলে সূত্রের খবর। এখন কমিশন এই অভিযোগের ভিত্তিতে কী পদক্ষেপ করে, সেটাই দেখার।



