Last Updated on [modified_date_only] by Suparna Ghosh
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: রেশন দুর্নীতি মামলায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি-এর স্ক্যানারে এবার টলিউড অভিনেত্রী তথা বসিরহাটের প্রাক্তন সাংসদ নুসরত জাহান(ED Summons To Nusrat Jahan)। আগামী ২২ এপ্রিল, বুধবার সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে তাঁকে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিধানসভা নির্বাচনের আবহে শাসকদলের প্রাক্তন সাংসদকে এই তলব রাজনৈতিক মহলে যথেষ্ট শোরগোল ফেলে দিয়েছে।
গম পাচারকাণ্ডে নাম জড়াল অভিনেত্রীর(ED Summons To Nusrat Jahan)
ইডি সূত্রে খবর, করোনা চলাকালীন সীমান্ত এলাকা দিয়ে বাংলাদেশে গম পাচারের অভিযোগে বেশ কিছু ট্রাক আটক হয়েছিল। সেই সময় বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ ছিলেন নুসরত। রেশন দুর্নীতির তদন্তে নেমে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা(ED Summons To Nusrat Jahan) জানতে পেরেছেন, এই পাচার চক্রের সঙ্গে প্রভাবশালী কয়েকজনের যোগসূত্র রয়েছে।

সেই সূত্র ধরেই নুসরতকে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন মনে করছেন তদন্তকারীরা। তবে বর্তমানে তিনি কলকাতায় রয়েছেন কি না, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। কারণ সম্প্রতি সঙ্গী যশ দাশগুপ্তের সঙ্গে তাঁকে বিদেশে ছুটি কাটাতে দেখা গিয়েছিল।
সিজিও নয়, গন্তব্য দিল্লি?(ED Summons To Nusrat Jahan)
ইডি-র এই তলব(ED Summons To Nusrat Jahan) নিয়ে নুসরত জাহান নিজে এখনও জনসমক্ষে কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি। তবে তাঁর ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে খবর, অভিনেত্রী তদন্তে সহযোগিতা করতে ইচ্ছুক। সূত্রের দাবি, তিনি কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্সে না গিয়ে দিল্লির ইডি সদর দফতরে হাজিরা দিতে পারেন। যদিও ইডি এই বিষয়ে এখনও কোনও নিশ্চিত বার্তা দেয়নি।

আরও পড়ুন: Lalbazar Vote: ভোট সামলাতে লালবাজারের মেগা প্ল্যান! শহরে আসছে ২০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী
ফ্ল্যাট প্রতারণা থেকে রেশন দুর্নীতি
এই প্রথম নয়, এর আগেও ইডি-র জেরার মুখে পড়তে হয়েছে নুসরতকে। ২০২৩ সালে ফ্ল্যাট প্রতারণা মামলায় প্রায় ৬ ঘণ্টা সিজিও কমপ্লেক্সে কাটান তিনি। প্রবীণ নাগরিকদের ফ্ল্যাট দেওয়ার নামে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে একটি সংস্থার ডিরেক্টর হিসেবে তাঁর নাম উঠে এসেছিল। সেই সময় নিজেকে ‘নির্দোষ’ দাবি করলেও কেন্দ্রীয় সংস্থা তাঁকে রেয়াত করেনি। এবার রেশন দুর্নীতির যোগসূত্র তাঁর অস্বস্তি আরও বাড়াল কি না, সেটাই দেখার।
আরও পড়ুন: Bidhannagar: বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটে নতুন কমিশনার নিয়োগ
ভোটের মুখে রাজনৈতিক তরজা
রাজ্যে নির্বাচন চলায় ইডি-র এই অতি-সক্রিয়তাকে ‘রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র’ হিসেবেই দেখছে তৃণমূল কংগ্রেস। ঘাসফুল শিবিরের দাবি, বিজেপি রাজনৈতিকভাবে লড়াই করতে না পেরে কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে লেলিয়ে দিচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়— সকলেই এই প্রতিহিংসার রাজনীতির বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। অন্যদিকে, তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, নির্বাচনের আগে প্রায় ৮০০ জন তৃণমূল কর্মীকে গ্রেফতার করানো হতে পারে। অবিলম্বে এ বিষয়ে উচ্চ আদালতের হস্তক্ষেপ চান তিনি।


