Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ভারতের আর্টিজানাল চিজ বিশ্বমঞ্চে খুব বেশি আলোচনায় না থাকলেও, মানের দিক থেকে তা যে দ্রুত এগোচ্ছে, তার প্রমাণ মিলল ‘মুন্ডিয়াল দো কুইজো দো ব্রাজিল ২০২৬’-এর ফলাফলে। সাও পাওলোতে অনুষ্ঠিত এই আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় ভারতের চারটি চিজ বড় সাফল্য পেয়েছে(Indian Artisanal Cheese)। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রশংসাও অর্জন করেছে চিজ ব্যান্ড এলেফথেরিয়া।
মস্ত মস্ত চিজ (Indian Artisanal Cheese)
মুম্বইয়ের এলেফথেরিয়া চিজের ‘গুলমার্গ’ (ফরাসি ব্রি-স্টাইল চিজ) জিতেছে সর্বোচ্চ সম্মান ‘সুপার গোল্ড’। পাশাপাশি তাদের ‘ব্রুনোস্ট’ (নরওয়েজিয়ান স্টাইল) পেয়েছে গোল্ড এবং ‘কালী মিরি’ (বেলপার নোলে স্টাইল) পেয়েছে সিলভার। অন্যদিকে, লাদাখের নর্ডিক ফার্মের ‘ইয়াক চুরপি (সফট)’ জিতেছে গোল্ড।

এলেফথেরিয়ার জয়জয়কার
এলেফথেরিয়ার প্রতিষ্ঠাতা মৌসুম নারাং জানান, ২০২১ সালে প্রথমবার বিশ্ব চিজ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে তারা সিলভার জিতেছিলেন। কিন্তু ব্রাজিলের এই সাফল্য বিশেষ, কারণ নতুন বিচারক ও স্বাদের মধ্যে নিজেদের প্রমাণ করতে হয়েছে।
কোভিডে বাড়ে জনপ্রিয়তা
২০১৫ সালে নিজের পছন্দের চিজ না পেয়ে বাড়ির রান্নাঘরেই চিজ বানানো শুরু করেন নারাং। অল্প সময়ের মধ্যেই তা রেস্তোরাঁয় সরবরাহ হতে শুরু করে। পরে কোভিডের সময় সরাসরি গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে যায় এই পণ্য, যা জনপ্রিয়তা বাড়ায়।

মুম্বইয়ের আবহাওয়াই সবচেয়ে বড় শত্রু
নারাং বলেন, ব্রি-স্টাইল চিজ তৈরি করা সবচেয়ে কঠিন, বিশেষ করে মুম্বইয়ের গরম ও আর্দ্র আবহাওয়ায়। সঠিক তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা বজায় রেখে ‘অ্যাফিনাজ’ বা পরিপক্বতা নিশ্চিত করাই বড় চ্যালেঞ্জ।
দুধের গুণমানও গুরুত্বপূর্ণ
দুধের গুণমানও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা গরু ও ছাগলের দুধ ব্যবহার করেন এবং নির্দিষ্ট ফার্মের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক বজায় রাখেন। সব চিজই নিরামিষ, অর্থাৎ প্রাণিজ রেনেট ব্যবহার করা হয় না।

ভারতে এখনও জনপ্রিয় নয় (Indian Artisanal Cheese)
বর্তমানে তাদের ৬০ শতাংশ বিক্রি হোটেল-রেস্তোরাঁ খাতে, বাকি সরাসরি গ্রাহকদের কাছে। যদিও ভারতের আর্টিজানাল চিজ বাজার এখনও ছোট, কয়েকশো কোটি টাকার, তবে এটি দ্রুত বাড়ছে।
আরও পড়ুন: US Iran Talk: আরাঘচির ইসলামাবাদ সফর নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে: ইরান-মার্কিন দ্বিতীয় দফার আলোচনার সম্ভাবনা
ভারতীয় চিজকে গুরুত্ব দেওয়ার ভাবনা (Indian Artisanal Cheese)
সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে নারাং উল্লেখ করেন ‘কোল্ড চেইন’-এর সমস্যা। তবু ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী চিজ যেমন বান্দেলকে ভবিষ্যতে আরও গুরুত্ব দেওয়ার কথা ভাবছেন তারা।



