Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: কেকেআর-এর জার্সি গায়ে জ্বলে উঠল নারিন-বরুণ জুটি (KKR vs SRH)। টানা তিন ম্যাচে জয় পেল নাইট শিবির।
টানা তিন ম্যাচে জয় নাইটদের (KKR vs SRH)
প্রথম দিকে হারের ধাক্কা সামলে টানা তিন ম্যাচে জয় পেল নাইট শিবির। চলতি আইপিএল-এ এই নিয়ে দ্বিতীয়বার হায়দরাবাদের মুখোমুখি হল কলকাতা নাইট রাইডার্স। প্রথম ম্যাচে হারের পর এই ম্যাচে ছিল নাইট বাহিনীর সামনে এই ম্যাচ ছিল প্রতিশোধের (KKR vs SRH)। আগের ম্যাচের হারের ‘মধুর প্রতিশোধ’ নিল নাইট বাহিনী।
আগের ম্যাচে পন্থদের বিরুদ্ধে সুপার ওভারে ম্যাচ জেতানোর নায়ক ছিলেন। বারবার কলকাতা তাঁর প্রতি ভরসা দেখিয়েছে। কেন তিনি কলকাতার অন্যতম ভরসার নাম সেটা আবার প্রমাণ দিলেন আজও। নিয়ন্ত্রণ আর অভিজ্ঞতার মিশেলে তুলে নিলেন দুই উইকেট। এই দুই উইকেটের কারণে লিখলেন ইতিহাস।
শুরুতে আর বড় রান তুলবেন ঈশান কিষাণরা মনে হলেও তাঁদের ইনিংস থামল ১৬৫ রানে। ১১৭ রানে দুই উইকেট থেকে ১৬৫ রানে অলআউট হয়ে যায় SRH।
প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ১৫ রানে ফেরেন অভিষেক শর্মা। তবে দলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন ট্র্যাভিস হেড ও ঈশান কিষাণ জুটি। ২৮ বলে ৬১ রানের ইনিংস খেলে ফেরেন হেড। জুটি ভাঙার কাজটা করেন বরুণ চক্রবর্তী। ক্লাসেন ফেরেন ১১ রানে (KKR vs SRH)।

এরপর হায়দরাবাদের ইনিংসে যে ভাঙন নামে সেটা আর ঠেকানো সম্ভব হয়নি। সাত ব্যাটারের মধ্যে পাঁচজন ফেরেন এক অঙ্কের স্কোরে। ঈশান কিষাণ ৪২ রানের লড়াকু ইনিংস খেলে আউট হন। ১৯ ওভারে ১৬৫ রানে গুটিয়ে যায় SRH। তিন উইকেট তুলে বরুণও আজ নিজের জাত চেনালেন। অন্যদিকে দুটি করে উইকেট নিলেন নারিন এবং কার্তিক ত্যাগী।
আইপিএল-এর ইতিহাসে প্রথম বিদেশি ক্রিকেটার হিসেবে ২০০ উইকেট নেওয়ার নজির গড়লেন ক্যারিবিয়ান তারকা। IPL-এর ইতিহাসে ২০০ উইকেট নেওয়া ক্রিকেটারদের তালিকায় নাম লেখালেন নারিন। এই লিস্টে একমাত্র রয়েছেন যুজবেন্দ্র চাহাল (২২৮) ও ভুবনেশ্বর কুমার (২১৫)। তবে নারিন আইপিএল-এর ইতিহাসে প্রথম বোলার যিনি একটা দলের হয়ে খেলে এই রেকর্ড গড়লেন।
আরও পড়ুন: BCCI: বিশ্বকাপের জন্য স্কোয়াড ঘোষণা ভারতের
ব্যাট করতে নেমে খুব একটা সমস্যার মুখে পড়তে হয়নি নাইট বাহিনীকে। ফিন অ্যালেন ২৯ রানে ফিরলেও দলকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজটা করে রাহানে এবং অঙ্গকৃশ রঘুবংশী (KKR vs SRH)।
রাহানে ৩৬ বলে ৪৩ রানের ইনিংস খেলে ফেরেন সাজঘরে। কিন্তু নিজের হাফ সেঞ্চুরি করতে কোনও ভুল করেননি অঙ্গকৃশ। দায়িত্ব নিয়ে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান তিনি। ৫৯ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলে আউট হন তিনি। ফিনিশার হিসেবে আবার নিজের কাজটা করে এলেন রিঙ্কু। ২২ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলে দলকে জিতিয়ে ফেরেন রিঙ্কু। এই ম্যাচ জিতে নাইটদের সংগ্রহে রয়েছে ৭ পয়েন্ট।


