Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: টানটান উত্তেজনা শেষ করে কাল ৪ মে ফলাফল প্রকাশ হলো বিধানসভা ভোটের, মানুষ বুঝিয়ে দিল “পাল্টানো দরকার চাই বিজেপি সরকার” (Piya Sengupta), ভালো খারাপের মাঝে আটকে থেকে এতগুলো বছর পার হলো, এবার অভ্যাসের বদল ঘটবে। ইম্পা ঘিরে আবারও বিতর্ক দানা বাঁধছে। সংগঠনের ভিতরে ক্ষোভ জমছে একাধিক সদস্যের মধ্যে। অভিযোগ উঠেছে, দীর্ঘদিন ধরেই কিছু ব্যক্তির হাতে সিদ্ধান্তের ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত থাকায় অনেকেই নিজেদের বঞ্চিত মনে করছেন।

শিল্পীদের একাংশের দাবি (Piya Sengupta)
প্রয়োজনের সময় নেতৃত্বের কাছে পৌঁছনো কঠিন হয়ে দাঁড়াত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে গেলে তিনি বলতেন অরূপ বিশ্বাসের কাছে যেতে। তার কাছে যেতে হলেও শেষ পর্যন্ত সমস্যার সমাধান মিলত না বলেই অভিযোগ। বিশেষ করে পিয়া সেনগুপ্তকে ঘিরে অসন্তোষ প্রকাশ্যে এসেছে। অভিযোগ, সংগঠনের নির্দিষ্ট গণ্ডির বাইরে থাকা শিল্পীরা সহযোগিতা পান না।
ইম্পার অন্দরে তুমুল টানাপোড়েন (Piya Sengupta)
এই পরিস্থিতিতে ইম্পার অন্দরেই শুরু হয়েছে তুমুল টানাপোড়েন। অনেকেই মনে করছেন, ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির সুদিন ফিরিয়ে আনতে হলে সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা জরুরি। দীর্ঘদিন কাজের সুযোগ না পাওয়া শিল্পীদের ক্ষোভও বাড়ছে। শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি ১৯৫১ সালে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের সহযোগিতায় ভারতীয় জনতা পার্টির পূর্বসূরি দল ভারতীয় জনসঙ্ঘ দল প্রতিষ্ঠা করেন।

আরও পড়ুন:Mamata Banerjee: ২৬টি কবিতায় কি ২৬-এর ভোটের অঙ্ক কষলেন মমতা
পিয়া সেনগুপ্ত বলেন (Piya Sengupta)
“পদত্যাগের চাহিদায় ঝামেলা eimpa te। কোনো দরকারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বললে তিনি অরূপ বিশ্বাসকে জানাতে বলতেন। অরূপ বিশ্বাস পাত্তা দিতেন না। পিয়া সেনগুপ্ত তাঁদের সংঘটন ছাড়া সাহায্য করেন না। পিয়া সেনগুপ্তর পদ্য Eimpa- তে তুমুল ঝামেলা। ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি যেন তাঁর স্বর্ণ যুগ ফিরে পায়। চোর পিয়া সেনগুপ্ত। আমরা চাই যেন সকলে সমান সুযোগ পায়। আমরা কোনোদিন ডাক পাইনি।”



