Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: কেরলে জন্ম, লস অ্যাঞ্জেলেসের রাজনীতিতে উঠে আসা নিত্যা রমন এখন মার্কিন পুর রাজনীতির এক গুরুত্বপূর্ণ মুখ। ১৯৮১ সালে কেরলে জন্ম হলেও শৈশবে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি দেন তিনি। ২০২০ সালে লস অ্যাঞ্জেলেস সিটি কাউন্সিলের ডিস্ট্রিক্ট ৪-এর কাউন্সিল মেম্বার হিসেবে জয়লাভ করে ইতিহাস গড়েন প্রথম এশিয়ান-আমেরিকান মহিলা ও প্রথম দক্ষিণ এশীয় হিসেবে এই পদে আসীন হন(LA Nithya Raman)।
রমনের রাজনৈতিক দর্শন (LA Nithya Raman)
শিক্ষা ও সামাজিক কাজের মেলবন্ধনেই গড়ে উঠেছে রমনের রাজনৈতিক দর্শন। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা এবং এমআইটি থেকে আরবান প্ল্যানিং-এ মাস্টার্স করার পর তিনি সরাসরি মাঠে নেমে কাজ শুরু করেন। তিনি প্রতিষ্ঠা করেন SELAH Neighbourhood Homeless Coalition, যা লস অ্যাঞ্জেলেসে গৃহহীনতার সমাধানে কাজ করে এবং এই ইস্যুই আজও তাঁর রাজনীতির প্রধান ফোকাস।
শেষ মুহূর্তে চমক
২০২৬ সালের লস অ্যাঞ্জেলেস মেয়র নির্বাচনে শেষ মুহূর্তে প্রার্থী হয়ে চমক দেন রমন। আগে তিনি বর্তমান মেয়র কারেন ব্যাসকে সমর্থন করলেও, হঠাৎ করেই প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামেন। তাঁর অভিযোগ, সিটি হলের কাঠামোগত অদক্ষতা শহরের উন্নয়নে বড় বাধা।
‘হাউজিং-ফার্স্ট’ নীতিতে জোর
তাঁর প্রচারের মূল বিষয় বাসস্থান সঙ্কট, ভাড়াটেদের সুরক্ষা, এবং নাগরিক পরিকাঠামোর উন্নতি। গৃহহীনতা মোকাবিলায় ‘হাউজিং-ফার্স্ট’ নীতিতে জোর দিয়ে প্রশাসনিক জবাবদিহিতা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।
জোহরান মামদানি-র সঙ্গে তুলনা (LA Nithya Raman)
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ রমনকে নিউ ইয়র্কের প্রগতিশীল নেতা জোহরান মামদানি-র সঙ্গে তুলনা করছেন। দুজনেরই বামঘেঁষা নীতি, তৃণমূল সংগঠনের শক্তি এবং বাসস্থান-ন্যায়বিচারের উপর জোর এই তুলনার কারণ।
আরও পড়ুন: Dubai Chairman: ভারতীয় উপমহাদেশের প্রতিভাই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য: প্রশংসা বুর্জ খলিফার স্থপতির
ভোটের আগে জনপ্রিয়তা বাড়ছে (LA Nithya Raman)
যদিও প্রতিদ্বন্দ্বীদের সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে বিশেষত গৃহহীনতা ও জননিরাপত্তা ইস্যুতে তবুও ভোটের আগে তাঁর জনপ্রিয়তা বাড়ছে। জুন ২০২৬-এর প্রাইমারি নির্বাচনকে সামনে রেখে, রমনের এই লড়াই এখন আর চমক নয়, বরং এক গুরুতর চ্যালেঞ্জ। জিতলে ইতিহাস গড়ে লস অ্যাঞ্জেলেসের প্রথম এশীয় নারী মেয়র হবেন তিনি।



