Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: পহেলগামের বৈশরণ উপত্যকায় জঙ্গি হামলার এক বছর পরও “অপারেশন সিঁদুর” ভারতের নিরাপত্তা নীতির বড় মোড়বদল হিসেবে আলোচিত(OP Sindoor)। পাকিস্তান-সমর্থিত জঙ্গিরা ধর্ম জিজ্ঞেস করে ২৬ পর্যটককে হত্যা করে। উদ্দেশ্য ছিল সাম্প্রদায়িক বিভাজন উসকে দেওয়া। কিন্তু ভারতের পাল্টা জবাব পাকিস্তানের সেই আশাকে ভেঙে দেয়।
অপারেশন সিঁদুর (OP Sindoor)
মাত্র ৮৮ ঘণ্টার অভিযানে ভারত পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের ৯টি জঙ্গি ঘাঁটিতে হামলা চালায়। একই সঙ্গে পাকিস্তানের ১১টি বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে আঘাত হানে ভারতীয় বায়ুসেনা। রাফাল যুদ্ধবিমান থেকে SCALP ক্রুজ মিসাইল ও HAMMER বোমা ব্যবহার করে বাহাওয়ালপুর ও মুরিদকের মতো গুরুত্বপূর্ণ জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করা হয়। ভারতের দাবি, শতাধিক জঙ্গি নিহত হয়।
তিন বাহিনীর যৌথ অভিযান
এই অভিযানের বড় বৈশিষ্ট্য ছিল তিন বাহিনীর যৌথ অভিযান। ভারতীয় নৌবাহিনীর কেরিয়ার ব্যাটল গ্রুপ আরব সাগরে অবস্থান নিয়ে পাকিস্তানি নৌবাহিনীকে কার্যত বন্দি করে রাখে। সেনা, নৌ ও বায়ুসেনার মধ্যে রিয়েল-টাইম তথ্য আদানপ্রদান নিশ্চিত করে চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফের যৌথ কমান্ড কাঠামো।
দেশীয় প্রযুক্তির সাফল্য (OP Sindoor)
অপারেশন সিঁদুরে দেশীয় প্রযুক্তির সাফল্যও স্পষ্ট হয়। আকাশতীর, IACCS, আকাশ মিসাইল, ব্রহ্মোস ও দেশীয় ড্রোন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় বড় ভূমিকা নেয়। পাকিস্তানের ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র ও রকেট হামলার অধিকাংশই মাঝ আকাশে ধ্বংস করা হয়। ISRO-র স্যাটেলাইট ও NavIC নেভিগেশন সিস্টেমও অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা দেয়।
আরও পড়ুন: Serampore: পুলিশের নাক ফাটিয়ে শ্রীরামপুরে গ্রেফতার তৃনমূল কাউন্সিলর
সন্ত্রাসের জবাবে সামরিক শক্তি (OP Sindoor)
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অভিযান দেখিয়েছে যে ভারত এখন “সন্ত্রাসের জবাবে কূটনীতি” নয়, প্রয়োজনে সরাসরি সামরিক শক্তি ব্যবহারের পথে এগোচ্ছে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতের জন্য যুদ্ধবিমান, ড্রোন ও প্রতিরক্ষা বাজেট বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তাও সামনে এসেছে।



