Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: অপারেশন সিঁদুর চলাকালীন পাকিস্তানের ১৩টি যুদ্ধবিমান ধ্বংস করা হয়েছিল এবং ১১টি বিমানঘাঁটিতে আঘাত হানা হয়েছিল বলে দাবি করলেন ভারতীয় বায়ুসেনার ডেপুটি চিফ এয়ার মার্শাল এ কে ভারতী(OP Sindoor Bharti)। অপারেশন সিঁদুরের প্রথম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক সম্মেলনে তিনি এই তথ্য জানান।
পাকিস্তানের দাবি খারিজ (OP Sindoor Bharti)
এ কে ভারতী পাকিস্তানের সেই দাবি খারিজ করে দেন, যেখানে ইসলামাবাদ দাবি করেছিল যে তারা ভারতের সামরিক ঘাঁটিগুলিতে বড়সড় ক্ষতি করেছে। তাঁর বক্তব্য, “তারা কোনও বড় ক্ষতি করতে পারেনি। তারা যে ক্ষেপণাস্ত্র, ইউএভি বা অন্য যা কিছু ব্যবহার করেছে, সবই আমরা প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছি। শুধু প্রচার বা বক্তব্য দিয়ে যুদ্ধ জেতা যায় না। জয়ের প্রমাণ দিতে হয় বাস্তব তথ্য দিয়ে, আর আমরা সেই তথ্যই তুলে ধরেছি।”
‘অপারেশন সিঁদুর’
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ৬-৭ মে রাতে ভারত ‘অপারেশন সিঁদুর’ শুরু করে। এর আগে পহেলগামে জঙ্গি হামলায় ২৬ জন পর্যটকের মৃত্যু হয়, যার জন্য ভারত পাকিস্তান-সমর্থিত জঙ্গিদের দায়ী করে। অভিযানের প্রথম পর্যায়ে পাকিস্তান এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীরের নয়টি জঙ্গি ঘাঁটিতে হামলা চালায় ভারতীয় সেনা। পরদিন পাকিস্তান ভারতের বিভিন্ন শহর ও সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে হামলার চেষ্টা করলে ভারত পাল্টা আঘাত হানে পাকিস্তানের একাধিক বিমানঘাঁটি, এয়ার ডিফেন্স ইউনিট এবং সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে।
৯টি জঙ্গি শিবির ধ্বংস (OP Sindoor Bharti)
এয়ার মার্শাল ভারতীর দাবি, “আমরা ৭ মে তাদের ৯টি জঙ্গি শিবির ধ্বংস করেছি। পাশাপাশি মাটিতে এবং আকাশে মিলিয়ে পাকিস্তানের ১৩টি বিমান ধ্বংস করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূরত্বে থাকা একটি উচ্চমূল্যের এয়ারবর্ন সম্পদও ছিল।”
আরও পড়ুন: OP Sindoor: অপারেশন সিঁদুর: এক বছরে ভারতের সামরিক পরিস্থিতির বদল
নেটওয়ার্কভিত্তিক যুদ্ধ কৌশল (OP Sindoor Bharti)
তিনি আরও বলেন, অপারেশন সিঁদুর ভারতের কাছে বায়ুশক্তির গুরুত্বকে নতুন করে প্রমাণ করেছে। একইসঙ্গে যৌথ সামরিক যোগ, নিখুঁত লক্ষ্যভেদ এবং নেটওয়ার্কভিত্তিক যুদ্ধ কৌশলের কার্যকারিতাও সামনে এসেছে। তবে সংঘর্ষে ভারতের ক্ষয়ক্ষতির নির্দিষ্ট তথ্য তিনি দেননি।



