Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: চেন্নাই বিমানবন্দরে মঙ্গলবার বড়সড় বিমান দুর্ঘটনা অল্পের জন্য এড়ানো গেল। আবুধাবিগামী এতিহাদ এয়ারওয়েজের একটি বিমানে টেক-অফের ঠিক আগে আগুন বা ধোঁয়ার সতর্কতা দেখা দেওয়ায় সেটিকে জরুরি ভিত্তিতে থামিয়ে দেওয়া হয়(Chennai Plane Acci)। বিমানে প্রায় ২৮০ জন যাত্রী ছিলেন।
ডানায় আগুনের লক্ষণ (Chennai Plane Acci)
সংবাদ সংস্থা পিটিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, বিমানটি রানওয়েতে উড়ানের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। সেই সময় পাইলটরা বিমানের একটি ডানার দিক থেকে ধোঁয়া বা আগুনের লক্ষণ দেখতে পান। পরিস্থিতি বুঝেই সঙ্গে সঙ্গে বিমানটি গ্রাউন্ড করা হয় এবং জরুরি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি
ঘটনার খবর পাওয়ার পরই বিমানবন্দরের দমকল বাহিনী, জরুরি পরিষেবা কর্মী এবং প্রযুক্তিগত দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। বিমানের ডানার কাছে ধোঁয়া ও আগুনের মতো পরিস্থিতি তৈরি হলেও দমকলকর্মীরা খুব দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। ফলে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।
যাত্রীদের নিরাপদে নামিয়ে আনা হয়
এরপর বিমানে থাকা সব যাত্রীকে নিরাপদে নামিয়ে আনা হয়। কোনও যাত্রী বা ক্রু সদস্য আহত হননি বলে জানানো হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে ওই উড়ানটি পরে বাতিল করা হয়।
সঠিক কারণ জানা যায়নি (Chennai Plane Acci)
প্রাথমিকভাবে আগুন লাগার সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি। বিমান সংস্থা এবং বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পুরো ঘটনার তদন্ত করা হবে। প্রযুক্তিগত ত্রুটি নাকি অন্য কোনও কারণে এই ঘটনা ঘটেছে, তা খতিয়ে দেখা হবে। ঘটনার জেরে চেন্নাই বিমানবন্দরে কিছু সময়ের জন্য সাময়িক বিঘ্ন তৈরি হয়। পরে নিরাপত্তা পরীক্ষা এবং প্রযুক্তিগত পর্যবেক্ষণের কাজ শুরু হয়।
আরও পড়ুন: Gold Market: ১ বছর সোনা না কিনলে কী হবে? মোদির আহ্বানে অর্থনীতিতে কী বদল হতে পারে?
সরকারি বিবৃতি প্রকাশিত হয়নি (Chennai Plane Acci)
এতিহাদ এয়ারওয়েজ বা বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের তরফে এখনও বিস্তারিত সরকারি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি। তবে যাত্রীদের নিরাপত্তাই যে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার ছিল, তা এই ঘটনায় স্পষ্ট হয়েছে।



