Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশবাসীকে রান্নার তেলের ব্যবহার ১০ শতাংশ কমানোর আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর মতে, এতে যেমন শরীর ভালো থাকবে, তেমনই দেশের অর্থনীতিও উপকৃত হবে(India Edible Oil)।
অন্যতম ভোজ্যতেল আমদানিকারক দেশ (India Edible Oil)
ভারত বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ভোজ্যতেল আমদানিকারক দেশ। দেশের মোট চাহিদার প্রায় ৬০ শতাংশ তেল বিদেশ থেকে আসে। প্রতি বছর প্রায় ১.৬১ লাখ কোটি টাকা খরচ করে ভারত প্রায় ১.৬ কোটি টন ভোজ্যতেল আমদানি করে।
সরাসরি ভারতের বাজারে প্রভাব
সবচেয়ে বেশি আমদানি হয় পাম তেল, যা আসে ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া থেকে। সূর্যমুখী তেলের বড় অংশ আসে ইউক্রেন ও রাশিয়া থেকে, আর সয়াবিন তেল আসে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা থেকে। ফলে যুদ্ধ, রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা বা সংকট সরাসরি ভারতের বাজারে প্রভাব ফেলে।
চাহিদা দ্রুত বেড়েছে
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ সালে ভারতে ভোজ্যতেলের উৎপাদন ছিল প্রায় ১.২ কোটি টন। কিন্তু জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও শহুরে জীবনের কারণে চাহিদা দ্রুত বেড়েছে। অন্যদিকে, দেশের তেলবীজ উৎপাদন এখনও বিশ্বমানের তুলনায় অনেক কম।
ধান ও গম চাষে বেশি আগ্রহ
বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষকরা ধান ও গম চাষে বেশি আগ্রহী, কারণ সেখানে সরকারি সহায়তা ও নিশ্চিত ক্রয়ের সুবিধা রয়েছে। কিন্তু সরিষা, সয়াবিন বা অন্যান্য তেলবীজ চাষ ঝুঁকিপূর্ণ এবং অনেকটাই বর্ষার ওপর নির্ভরশীল।
আমদানি ব্যয় আরও বাড়ছে (India Edible Oil)
পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ, জ্বালানির দাম বৃদ্ধি এবং টাকার দুর্বলতার কারণে আমদানি ব্যয় আরও বাড়ছে। এর ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার ভাণ্ডারের ওপর চাপ তৈরি হচ্ছে।
আরও পড়ুন: Escalator Info: এসকেলেটরে তো চড়েন কিন্তু জানেন কি এই তথ্য?
তেল খাওয়ার অভ্যাসে সংযম (India Edible Oil)
বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু উৎপাদন বাড়ালেই হবে না, সাধারণ মানুষকেও তেল খাওয়ার অভ্যাসে সংযম আনতে হবে। তবেই আমদানিনির্ভরতা কমবে এবং ভবিষ্যতের বিশ্বজুড়ে সংকট মোকাবিলা সহজ হবে।



