Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: নির্বাচনী প্রচারে বিতর্কিত মন্তব্য করায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় (Abhishek FIR Row) সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছিল এফআইআর। বৃহস্পতিবার সেই মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য্য অভিষেকের করা মন্তব্য নিয়ে চরম ক্ষোভপ্রকাশ করলেন।
বেজায় ক্ষুব্ধ বিচারপতি (Abhishek FIR Row)
এ হেন মন্তব্যের জন্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek FIR Row) উপর বেজায় ক্ষুব্ধ হয়ে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য্য বলেন, ‘৪ মে নির্বাচনের ফল যদি অন্যরকম হত, তাহলে রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা হাতের বাইরে চলে যেতে পারত।’ অভিষেকের উপর বিরক্ত হলেও তাঁকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত রক্ষাকবচ দিয়েছে আদালত। এই সময়ের মধ্যে পুলিশ তাঁর বিরুদ্ধে এখনই কোনও কড়া পদক্ষেপ করতে পারবেনা। তবে আপাতত তিনি বিদেশে যেতে পারবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছে হাইকোর্ট।
এফআইআর খারিজের আবেদন (Abhishek FIR Row)
নির্বাচনী প্রচারের সময় বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে (Abhishek FIR Row) তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এফআইআর খারিজের আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। নির্বাচনী প্রচারের সময় বিতর্কিত মন্তব্যের অভিযোগে বিধাননগর পুলিশের সাইবার ক্রাইম শাখায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়। বিভিন্ন জায়গায় একাধিক নির্বাচনী প্রচারে অভিষেকের করা বিতর্কিত মন্তব্যের লিঙ্ক দিয়ে মোট ৫টি ধারায় এফআইআর দায়ের করা হয়।
আরও পড়ুন: Prashant Kishor: বাংলো ছেড়ে আশ্রমে প্রশান্ত, সেখান থেকেই চলবে রাজনৈতিক লড়াই!
গত ৫ মে বাগুইআটি থানাতে রাজীব সরকার নামে এক ব্যক্তি অভিষেকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগটি দায়ের করেন। অভিষেকের দাবি, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা এবং সম্পূর্ণ মিথ্যা অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁকে হেনস্থা করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তাই আইনিভাবে তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এফআইআর খারিজের আবেদন করে তিনি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় যাতে তাঁর বিরুদ্ধে পুলিশ কোনও রকম কড়া পদক্ষেপ করতে না পারে, তাই অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচের আবেদন করে অভিষেক আদালতের জরুরি হস্তক্ষেপ চান।
যে সমস্ত ধারায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়েছে:
- বিএনএস-এর ১৯২ ধারায় দাঙ্গায় উদ্দেশ্যে উস্কানিমূলক মন্তব্য।
- জামিন অযোগ্য ১৯৬ ধারায় বিভিন্ন সম্প্রদায় ও গোষ্ঠীর মধ্যে সম্প্রীতি নষ্ট করে ঘৃণা ছড়ানোর চেষ্টা।
- জামিন অযোগ্য ৩৫১/২ ধারায় মৃত্যুর ভয়, হুমকি দিয়ে সম্মান ও সম্প্রীতি নষ্টের চেষ্টা।
- ৩৫৩ (১) (C) ধারায় মিথ্যা বিভ্রান্তিকর বক্তব্য ও গুজব ছড়ানো।
- জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ১২৩(২), ১২৫ ধারায় মানুষ ও গোষ্ঠীর মধ্যে চাপ তৈরি করতে প্ররোচনামূলক মন্তব্য।


