Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: রাজস্থানের আজমেরে একটি গাড়িতে আগুন লেগে চারজনের মৃত্যুর ঘটনায় সামনে এসেছে শিউরে ওঠার মতো তথ্য। প্রথমে ঘটনাটিকে দুর্ঘটনা বলে মনে হলেও পুলিশের তদন্তে প্রকাশ পেয়েছে, এটি ছিল পরিকল্পিত গণহত্যা। অভিযুক্ত মৃত প্রাক্তন সরপঞ্চ রাম সিং চৌধারীর ১৭ বছর বয়সি ছেলে(Minor Arrest)।
নির্বিকার আচরণেই সন্দেহ ঘনায় (Minor Arrest)
ঘটনার পর পরিবারের সদস্যরা যখন শোকে ভেঙে পড়েন, তখন ওই কিশোরের অস্বাভাবিক শান্ত আচরণ পুলিশের নজর কাড়ে। সবাই কান্নায় ভেঙে পড়লেও সে নির্বিকারভাবে চা পান করছিল। সেখান থেকেই সন্দেহের সূত্রপাত।
আগুনে ঝলসানো দেহ
পুলিশ জানায়, রাস্তার ধারে পুড়ে যাওয়া গাড়ির ভিতর থেকে রাম সিং চৌধারী, তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী সুরজ্ঞান দেবী, মা পুসি দেবী এবং ভাইঝি মহিমার দেহ উদ্ধার হয়। প্রথমে ধারণা করা হয়েছিল, অসুস্থ মাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লাগে। কিন্তু তদন্তে দেখা যায়, গাড়ির সামনের আসনে কোনও দেহ ছিল না এবং চারটি দেহই পিছনের আসনে গাদাগাদি করে রাখা ছিল।
হত্যার তদন্ত করে পুলিশ
পোস্টমর্টেম রিপোর্টে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসে। সুরজ্ঞান দেবীর শরীরে আগুন লাগার আগেই ছুরির গভীর আঘাতের চিহ্ন ছিল। এরপরই পুলিশ হত্যার তদন্ত শুরু করে।
পাঁচ মাস ধরে হত্যার পরিকল্পনা (Minor Arrest)
আজমেরের পুলিশ সুপার হর্ষ বর্ধন জানান, অভিযুক্ত গত পাঁচ মাস ধরে হত্যার পরিকল্পনা করছিল। সে নিয়মিত অপরাধভিত্তিক ওয়েব সিরিজ দেখত এবং অনলাইন গেম খেলত। পুলিশি তদন্ত এড়ানোর কৌশল সম্পর্কেও সে তথ্য সংগ্রহ করেছিল বলে অভিযোগ।
একের পর এক হত্যা (Minor Arrest)
তদন্তে জানা যায়, বাবার দ্বিতীয় বিয়ের পর থেকেই পরিবারে অশান্তি চলছিল। সম্পত্তি ও পারিবারিক বিরোধ থেকেই ক্ষোভ তৈরি হয়। অভিযোগ, ঘটনার দিন ভোর ৪টায় ঘুমন্ত বাবাকে ছুরি মেরে হত্যা করে কিশোর। পরে চিৎকার শুনে আসা সৎমা, ঠাকুমা ও ভাইঝিকেও হত্যা করা হয়। প্রমাণ লোপাট করতে চারটি দেহ গাড়িতে তুলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। পুলিশ অভিযুক্ত কিশোরকে হেফাজতে নিয়ে ঘটনার তদন্ত চালাচ্ছে।



