Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: এভারেস্ট যেমন যে সে বিষয় নয়, পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এটি। তেমনই সেখানে পৌঁছানোও তো আর খুব একটা কম কিছু নয়। বাঙালির রক্ত চিরকালই অভিযানের নেশায় মত্ত। এবার সেই অভিযানে সামিল আরেক বাঙালি কন্যা(Everest Bicycle)।
সাইকেলে চড়ে এভারেস্ট বেস ক্যাম্পে(Everest Bicycle)
যাবতীয় প্রতিকূলতা বাধা বিপত্তিকে জয় করে এবার বাঙালি ললনা বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গের পাদদেশে। সোজা এভারেস্ট বেস ক্যাম্পে বর্ধমানের মেয়ে পাপিয়া রায়(Everest Bicycle)। সাইকেলকে সঙ্গী করে একেবারে বাঙালি বেশে অর্থাৎ শাড়ি পরে পৌঁছলেন সেখানে।
কলকাতা থেকে এভারেস্ট বেস ক্যাম্পে পৌঁছতে সময় লেগেছে প্রায় এক মাস। মাঝে রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের জন্য সীমান্ত পার করতে না পারায় সেখানে আটকে থাকতে হয়। তারপর ফের যাত্রা। আর শেষমেশ গন্তব্যে পাপিয়া।

বাড়ি বর্ধমানে হলেও পাপিয়া কর্মসূত্রে থাকেন কলকাতাতে। ছোটবেলা থেকে সাইক্লিং তাঁর নেশা। সময় সুযোগ মিললেই প্যাডেলে চাপ আর রাস্তাই তখন ভালবাসা। আর সেই রাস্তার টানেই বেরিয়ে পড়েছিলেন তিনি। ১৫ এপ্রিল এয়ারপোর্ট এলাকা থেকে রওনা দেন। শিলিগুড়ি হয়ে নেপাল এবং এভারেস্ট বেস ক্যাম্প পৌঁছান ১৫ মে(Everest Bicycle)।
আরও পড়ুন: Nabanna Attendence: নবান্নে চালু হচ্ছে ফেস রেকগনিশন বায়োমেট্রিক হাজিরা, ১৫ জুন থেকে বাধ্যতামূলক
গন্তব্যে পৌঁছানোর পর জানিয়েছেন খুব খুশি তিনি। তবে শাড়ি পরে এতটা পথ পাড়ি দেওয়া যে খুব সহজ নয় তাও জানিয়েছেন পাপিয়া। তবে পাপিয়াদের কাছে কি কোনও কিছুই কঠিন? জীবনের সব কঠিনতাকে নিমেষে জয় করে তাঁরা হাতের মুঠোয় করে নেন অদম্য জেদ আর পরিশ্রমের মাধ্যমে(Everest Bicycle)। অভিযাত্রীর জীবনের পথে প্যাডেলে চাপ দিয়ে আরও পথ পেরোন পাপিয়া, শুভাকাঙ্ক্ষা আপামর বাঙালির।



