Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ইংল্যান্ড ফুটবলপ্রেমীদের প্রধান ভরসার না হ্যারি কেন। তাঁকে নিয়েই বিশ্বজয়ের স্বপ্ন দেখছে দল (Harry Kane)।
ভরসার নাম হ্যারি কেন (Harry Kane)
ফুটবল ইতিহাসে ইংল্যান্ড এক অবিচ্ছেদ্য নাম। দীর্ঘদিনের ফুটবল ইতিহাস এই দেশের। তবে প্রতি বিশ্বকাপ শুরুর আগেই ইংল্যান্ড সমর্থকরা অপেক্ষা করেন বিশ্বজয়ের কিন্তু সেই সুদিনের দেখা মেলেনি অনেকদিন। এক সময় এই দলের হয়ে খেলতেন ডেভিড বেকহ্যাম। মাঝ মাঠ থেকে গোল করে সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন তিনি। এই কৃতিত্ব ব্রাজিল তারকা রিভালদো ছাড়া আর হাতে গোনা কয়েকজনের রয়েছে (Harry Kane)।
তাঁর পরবর্তীতে এসেছেন ওয়েন রুনি। তিনি দেশের হয়ে এবং ক্লাব ফুটবলে নিজের দক্ষতার পরিচয় দিয়েছিলেন কিন্তু ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ অধরাই থেকে গেছে ১৯৬৬ সালের পর থেকে। সেই সালের বিশ্বকাপকে ঘিরে যেমন রয়েছে আবেগের বিস্ফোরণ তেমন রয়েছে বিতর্ক। ইংল্যান্ডের সমর্থক আর সমালোচকদের আলোচনার কেন্দ্রে ছিল জিওফ হার্স্টের এক শট, যা কারও চোখে গোল আবার কারোর চোখে গোল না। অনেক তর্ক বিতর্কের পর রেফারির সিদ্ধান্তই বিবেচিত হয় আর বিশ্বকাপ যেতে ইংল্যান্ড।
তবে বর্তমান ইংল্যান্ড দলের মূল ভরসার নাম হ্যারি কেন। এবার কেনের বুটের জোরেই ইংল্যান্ড সমর্থকরা দেখছেন বিশ্বজয়ের স্বপ্ন। গত বার গ্যারেথ সাউথগেটের দলকে নিয়ে বিশ্বজয়ের স্বপ্ন দেখলেও সেই বছরও হাতছাড়া হয় বিশ্বকাপ। এবার টমাস টুখেলের দলকে নিয়েও আশায় রয়েছেন সমর্থকরা। অভিজ্ঞ স্ট্রাইকার হ্যারি কেন ঝড়ের মুখ চেয়ে দিন গুনছেন ভক্তরা। ট্রফি জয়েরও অন্যতম দাবিদার ইংল্যান্ড হলেও শেষ কথা সময় বলবে (Harry Kane)।

ইংল্যান্ড দলের শক্তি
প্রচুর বিকল্প – বিশ্বকাপের দরবারে সেই দল সবথেকে বেশি শক্তিশালী হয় যার হাতে সবথেকে বেশি বিকল্প থাকে। যেখানে ২৬ জনের স্কোয়াডে পাশাপাশি দুটি দল খেলানো যায়। প্রথম একাদশে জায়গা পেতে পারেন প্রায় ২৬ জনের সবাই। একদিকে দলের যেমন অভিজ্ঞতা রয়েছে তেমন রয়েছে লড়াই করার মানসিকতা।
খেলার গতি– ইংল্যান্ড দলের অন্যতম শক্তি হল তাঁদের দলের প্লেয়ারদের গতি। একদিকে তাঁরা যেমন দ্রুত আক্রমণ করতে পারেন তেমন আবার নিজেদের রক্ষণ দ্রুত সাজিয়ে নিতে পারেন। দলে একাদিক স্ট্রাইকার থাকায় এই সুবিধা রয়েছে ইংল্যান্ড দলের কাছে। দলের অন্যতম স্ট্রাইকার কেন যেমন মাঝ মাঠেও খেলতে পারেন তেমন মাঠের দুই দিক দিয়েও সমান তালে উঠতে পারেন। দলের কাছ যা অন্যতম বড় অস্ত্র (Harry Kane)।
আরও পড়ুন: CJI London: লন্ডনে সিজেআই সূর্য কান্তের বক্তৃতায় বিতর্ক, প্রশ্নোত্তর পর্বে উত্তপ্ত পরিস্থিতি
ইংল্যান্ড দলের দুর্বলতা
কৌশলগত রক্ষণশীল মানসিকতা– ইংল্যান্ড দলের অন্যতম দুর্বলতা অনেক সময় তাঁদের রক্ষনাত্মক ফুটবল খেলতে দেখা যায়। অনেক সময় সেই রক্ষণাত্মক ফুটবল খেলার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন প্লেয়াররা।
রক্ষণের দুর্বলতা– এজ়রি কনসা, মার্ক গেহি-সহ দলে একাধিক বিশ্বমানের ডিফেন্ডার থাকার পরেও ডিফেন্সে দুর্বলতা রয়েছে দলের। যোগ্যতা অর্জন পর্বের আটটি ম্যাচে কোনও গোল খায়নি ইংল্যান্ড। তা-ও ইংল্যান্ডের দুর্বলতার অন্যতম জায়গা রক্ষণ বিভাগ। দ্রুতগতির বল আটকাতেও মাঝে মাঝে ব্যর্থতা দেখা যায় দলের।
প্রত্যাশার চাপ– প্রথম বিশ্বকাপ জেতার পর কেটে গিয়েছে ৬০ বছর। এরপর শুধুই হতাশা। তাই এবার প্রত্যাশার চাপ থাকবে দলের উপর অনেক বেশি। সেই চাপ সামলে বিশ্বকাপের ময়দানে সফল হওয়া কিছুটা চ্যালেঞ্জের (Harry Kane)।


