Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: শুক্রবার তথা সপ্তাহের শেষ ট্রেডিং সেশনে প্রায় সব সেক্টরেই গতি দেখা গেছে (Sensex and Nifty)।
স্টক মার্কেটে বুল রান (Sensex and Nifty)
চলতি সপ্তাহ বেশ কিছুটা টানাপোড়েনের মধ্যে দিয়ে গেলেও শেষ ট্রেডিং সেশনে গতি ফিরে পেল শেয়ার মার্কেট। পশ্চিম এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা কিছুটা প্রশমের কারণে এশিয়ার বাজারের এই জোর উত্থান। আন্তর্জাতিক বাজারে ইতিবাচক প্রভাবে লগ্নিকারীদের মধ্যে বেড়েছে আগ্রহ। এর প্রভাব দেখা গেল শেয়ার মার্কেটে। মার্কেট খোলার পর থেকেই সব সেক্টরেই দেখা গেছে চাঙ্গা ভাব (Sensex and Nifty)।
শুক্রবার মার্কেট ওপেন হওয়ার পরেই সেনসেক্স বেড়েছে ৯৮১ পয়েন্ট বা ১.৩৩ শতাংশ। এই বৃদ্ধির কারণে এই সূচক রয়েছে ৭৪,৮১৪ পয়েন্ট। এর পাশাপাশি নিফটি৫০ ২৭২ পয়েন্ট বেড়ে পৌঁছে গেছিল ২৩,৪৩৪ পয়েন্টে। এই দিন স্মল ক্যাপ এবং মিড ক্যাপ ইনডেক্সগুলিরও বড় অঙ্কের বৃদ্ধি হয়েছে। সেই সঙ্গে সমস্ত সেক্টরাল পজিটিভে রয়েছে। বাজার বৃদ্ধির কারণ হিসেবে বেশ কিছু কারণের কথা জানিয়েছে বিশ্লেষকরা।
১) আমেরিকা-ইরান শান্তির সম্ভাবনা
ইরান এবং আমেরিকার মধ্যে সম্ভাব্য শান্তি চুক্তির খবর সামনে আসার পরেই বাজারে চাঙ্গা ভাব দেখা গেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চলতি সপ্তাহেই শান্তি চুক্তি হওয়ার কথা জানিয়েছেন। চুক্তি হলে হরমুজ প্রণালী আবার সম্পূর্ণভাবে খুলতে পারে। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল এবং গ্যাস এই পথেই পরিবহণ হয় আর এই পথ খুললে সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ কমবে। তবে ইরান এখনও সেই চুক্তির কথা জানায়নি। তাদের দাবি অনুযায়ী এখনও অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোচনা হওয়া বাকি আছে।
আরও পড়ুন: Panchayat: অফিসের মেঝেতে লুটিয়ে প্রধান, প্রশাসনের ভাবমূর্তি নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
২) তেলের দাম কমেছে
শান্তি চুক্তি নিয়ে আশার আলো দেখা যাওয়ার পরেই আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম কমেছে। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেল প্রতি ৮৯ ডলারের কাছাকাছি নেমে এসেছে। কয়েক মাস আগে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় তেলের দাম ১২০ ডলারের উপরে উঠে গিয়েছিল কিন্তু তেলের দামে এই পরিবর্তন ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বাজারে (Sensex and Nifty)।
৩) বিশ্বের বিভিন্ন বাজারে ব্যাপক উত্থান
শুক্রবার এশিয়া, আমেরিকা এবং ইউরোপের বাজারে ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গিয়েছে। জাপানের নিক্কেই সূচক প্রায় ৩ শতাংশ বেড়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার কোসপি ৮ শতাংশের বেশি লাফিয়েছে। হংকং ও চিনের বাজারও প্রায় ২ শতাংশ করে উপরে উঠেছে আর এই সকল কারণের প্রভাবে ভারতের বাজারে ইতিবাচক প্রভাব দেখা গেছে।


