Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে (PoK) চরম রাজনৈতিক উত্তাপ ও কড়া নিরাপত্তার মধ্যে বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে(PoK Assembly Election)। মিরপুর ডিভিশনের ১৩টি আসনে এই পর্বে ভোট দিচ্ছেন প্রায় ১৪ লাখেরও বেশি নিবন্ধিত ভোটার।
আসন ও ভোটার: মিরপুর, ভিম্বর ও কোটলি জেলায় মোট ১৩টি আসনে ভোটগ্রহণ চলছে। শুধুমাত্র কোটলি জেলাতেই প্রার্থী দাঁড়িয়েছেন ১৩৫ জন। ভোটকেন্দ্র: আড়াই হাজারের বেশি পোলিং স্টেশন তৈরি করা হয়েছে এবং ভোট কর্মীদের আগেভাগেই এলাকাগুলিতে পাঠানো হয়েছে। ভোটারদের উৎসাহিত করার চেষ্টা: ভোটদানের হার বাড়াতে স্থানীয় প্রশাসন ২৭ জুলাই সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে।
সেনা হস্তক্ষেপের অভিযোগ ও রাজনৈতিক বয়কট (PoK Assembly Election)
নির্বাচনকে ঘিরে জালিয়াতি এবং পাক সেনাবাহিনীর সরাসরি হস্তক্ষেপের অভিযোগ উঠেছে। বিরোধী দল ও বিক্ষোভকারী গোষ্ঠীগুলোর দাবি, ভোটের ফল আগেই ঠিক করে রাখা হয়েছে।
বয়কটের ডাক: সম্প্রতি চাল-আটা ও বিদ্যুতের ভর্তুকির দাবিতে অঞ্চলজুড়ে তৈরি হওয়া আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া জয়েন্ট অ্যাওয়ামী অ্যাকশন কমিটি (JAAC)-কে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে নিষিদ্ধ করেছে ইসলামাবাদ। প্রতিবাদে এই নির্বাচন বয়কটের ডাক দিয়েছে তারা।
আরও পড়ুন: Emergency Landing: দুবাই-মুম্বই ইন্ডিগো বিমানে ধোঁয়া: আতঙ্কে রাজকোটে জরুরি অবতরণ
নির্বাচনী লড়াই ও কড়া নিরাপত্তা (PoK Assembly Election)
আঞ্চলিক এই লড়াইয়ে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছে পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজ (PML-N), পাকিস্তান পিপলস পার্টি (PPP) এবং ইস্তেহকাম-এ-পাকিস্তান পার্টি (IPP)। নির্বাচন ঘিরে যাতে কোনও হিংসা না ছড়ায়, তাই সভা-সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে এবং সব সংবেদনশীল কেন্দ্রে প্রচুর নিরাপত্তা কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। তবে সামরিক নিয়ন্ত্রণ, অর্থনৈতিক সংকট ও বয়কটের পটভূমিতে এই নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।



