Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: অভ্রদীপ দাস: সোমবার একদিকে যখন কেন্দ্রীয় (Abhishek Banerjee ED) তদন্তকারী সংস্থার ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ঠিক তখনই দিল্লির রাজনৈতিক অলিন্দে তৈরি হলো এক নজিরবিহীন নাটকীয় পরিস্থিতি।
অভিষেককে তলব (Abhishek Banerjee ED)
তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ তথা বিদ্রোহী সাংসদদের (Abhishek Banerjee ED) প্রসঙ্গ নিয়ে আলোচনার জন্য খোদ লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার অফিস থেকে তলব করা হল অভিষেককে। তবে জেরা চলার কারণে সেই মেইল তাঁর নজর এড়িয়ে গেলেও, দলের অন্দরে শুরু হয়ে যায় জোরদার তৎপরতা।
কী লেখা ইমেইলে? (Abhishek Banerjee ED)
সূত্রের খবর, সোমবার দুপুর ঠিক ২টো নাগাদ স্পিকার ওম বিড়লার অফিস থেকে একটি ইমেইল পাঠানো হয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সেখানে জানানো হয়, তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ সাংসদদের দলবদল ও আলাদা গোষ্ঠী গঠনের সাম্প্রতিক ইস্যু নিয়ে বিকেল ৪টের সময় স্পিকার তাঁর সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে দেখা করতে চান। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই, অর্থাৎ দুপুর ২.১০ নাগাদ স্পিকারের অফিস থেকে সরাসরি ফোন যায় তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজাদের কাছেও।
পাঠানো হয়েছে ফিরতি মেল
স্পিকারের অফিস থেকে ফোন পেয়েই আর সময় নষ্ট করেননি কীর্তি আজাদ। তিনি তৎক্ষণাৎ দলের প্রবীণ নেতা তথা রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েনের সঙ্গে ফোনে পুরো বিষয়টি নিয়ে শলা-পরামর্শ করেন। ডেরেকের সঙ্গে কথা বলার পর কীর্তি আজাদ স্পিকারের অফিসে একটি ফিরতি মেইল পাঠান। সেই মেইলে তিনি স্পষ্ট জানান যে, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার ডাকে সকাল ১১টা থেকেই জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দীর্ঘক্ষণ ধরে ম্যারাথন জেরা চলার কারণে এই মুহূর্তে তাঁর পক্ষে মেইল দেখা বা স্পিকারের ডাকে সাড়া দেওয়া সম্ভব নয়।
তবে শুধু মেইল পাঠিয়েই ক্ষান্ত হননি কীর্তি আজাদ। সূত্রের খবর, বিকেল সাড়ে তিনটে নাগাদ তিনি সশরীরে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার দফতরে হাজির হন। স্পিকারের সঙ্গে মুখোমুখি দেখা করে তিনি বাস্তব পরিস্থিতিটি বুঝিয়ে বলেন এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কেন বিকেল ৪টের বৈঠকে উপস্থিত হতে পারছেন না, তা বিস্তারিতভাবে জানিয়ে আসেন।
তৃণমূলের অন্দরে যখন বিক্ষুব্ধ সাংসদদের আলাদা ব্লক বা গোষ্ঠী তৈরি করা নিয়ে টানটান উত্তেজনা চলছে, তখন জিজ্ঞাসাবাদের মাঝেই স্পিকারের এই জরুরি তলব এবং তার পাল্টা তৃণমূল শিবিরের এই তৎপরতা দিল্লির রাজনীতিতে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।


