Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বিশ্বজুড়ে এক বিলিয়নেরও বেশি ব্যবহারকারী নিয়ে টেলিগ্রাম আজ অন্যতম জনপ্রিয় যোগাযোগমাধ্যম। রাশিয়ান বংশোদ্ভূত শিল্পপতি পাভেল দুরভ প্রতিষ্ঠিত এই প্ল্যাটফর্মকে অনেকে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও গোপনীয়তার শেষ আশ্রয় হিসেবে দেখেন। সমালোচকদের মতে, কম কনটেন্ট মডারেশন ও কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কম সহযোগিতার কারণে এখানে প্রতারণা, ভুয়ো তথ্য ও অপরাধমূলক কার্যকলাপও বেড়েছে(Telegram Issue)।
অ্যাপ স্টোর থেকে টেলিগ্রাম সরানোর নির্দেশ (Telegram Issue)
সম্প্রতি ভারতে নিট-ইউজি (NEET-UG) ২০২৬ পরীক্ষা বিতর্ক ঘিরে টেলিগ্রামের ওপর সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। অভিযোগ, কিছু টেলিগ্রাম চ্যানেল পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের নামে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা আদায় করছিল। এর জেরে কেন্দ্র সরকার ২২ জুন পর্যন্ত প্ল্যাটফর্মে সীমাবদ্ধতা আরোপ করে এবং অ্যাপ স্টোর থেকে টেলিগ্রাম সরানোর নির্দেশ দেয়। টেলিগ্রাম প্রতিষ্ঠাতা পাভেল দুরভ এই পদক্ষেপের সমালোচনা করে বলেন, এতে কোটি কোটি সাধারণ ব্যবহারকারী ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
আরও দেখুন: https://www.youtube.com/watch?v=xVHQ4K4MRy0
টেলিগ্রামের বিশেষত্ব হল এর বিশাল গ্রুপ ও চ্যানেল ব্যবস্থা। একটি গ্রুপে ২ লক্ষ সদস্য এবং চ্যানেলে অসংখ্য অনুসারী যুক্ত হতে পারেন। ফলে এটি শুধু মেসেজিং অ্যাপ নয়, বরং সামাজিক যোগাযোগ ও তথ্য সম্প্রচারের শক্তিশালী মাধ্যম।
এই কারণেই বিভিন্ন দেশে টেলিগ্রাম নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। চীন ২০১৫ সাল থেকেই টেলিগ্রাম নিষিদ্ধ করেছে। ইরান ২০১৮ সালে সরকারবিরোধী আন্দোলনের পর প্ল্যাটফর্মটি বন্ধ করে। রাশিয়াও একসময় নিষেধাজ্ঞা জারি করলেও পরে তা তুলে নেয়। ব্রাজিল, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড ও কিউবাও বিভিন্ন সময়ে টেলিগ্রামের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে(Telegram Issue)।
আরও পড়ুন: UBT Shivsena: অপারেশন টাইগার! উদ্ধব ঠাকরের শিবসেনায় কি ফের বড় ভাঙন?
২০২৪ সালে ফ্রান্সে পাভেল দুরভের গ্রেপ্তারি টেলিগ্রামের ইতিহাসে বড় মোড় এনে দেয়(Telegram Issue)। এরপর কোম্পানি কিছু ফিচার বন্ধ করে এবং বৈধ আদালতের নির্দেশে নির্দিষ্ট তথ্য কর্তৃপক্ষকে দেওয়ার নীতি গ্রহণ করে। গোপনীয়তা ও নিরাপত্তার ভারসাম্য কীভাবে রক্ষা করা হবে টেলিগ্রামকে ঘিরে সেই প্রশ্নই এখন বিশ্বজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।



