Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বর্তমানে ট্যাটু শুধু ফ্যাশন নয়, অনেকের (Tattoo) কাছে এটি নিজের ব্যক্তিত্ব প্রকাশের একটি মাধ্যম। হাত, পা, ঘাড় কিংবা শরীরের অন্য অংশে ট্যাটু করানো এখন খুবই সাধারণ বিষয়। তবে যারা সরকারি চাকরির প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাদের জন্য ট্যাটু করানোর আগে কিছু বিষয় অবশ্যই মাথায় রাখা প্রয়োজন।
সরকারি চাকরিতে ট্যাটু সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ? (Tattoo)
অনেকের ধারণা, সরকারি চাকরিতে ট্যাটু (Tattoo) সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। তবে বিষয়টি সব ক্ষেত্রে এক নয়। বিভিন্ন সরকারি বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী ট্যাটু নিয়ে আলাদা আলাদা নির্দেশিকা রয়েছে। সাধারণত সরকারি চাকরিতে পেশাদারিত্ব, শৃঙ্খলা এবং মার্জিত চেহারা বজায় রাখার জন্য দৃশ্যমান ট্যাটুকে নিরুৎসাহিত করা হয়।
কোন ট্যাটু আপত্তিকর? (Tattoo)
বিশেষ করে কোনও আপত্তিকর, রাজনৈতিক বা ধর্মীয় প্রতীকযুক্ত ট্যাটু সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি করতে পারে। কারণ সরকারি কর্মীদের ক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা বজায় রাখাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: Rooh Film: হরর দুনিয়ায় ফিরছেন ইমরান হাশমি, আসছে মিউজিক্যাল-হরর ছবি রূহ!
তবে কিছু ক্ষেত্রে শর্তসাপেক্ষে ট্যাটুর অনুমতি রয়েছে। শিক্ষকতা, ক্লারিকাল চাকরির মতো ক্ষেত্রে যদি ট্যাটু ছোট হয় এবং পোশাকে ঢাকা থাকে, তাহলে সাধারণত সমস্যা হয় না। অন্যদিকে সেনা, নৌ ও বায়ুসেনার মতো ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট জায়গায় ছোট ট্যাটুর অনুমতি দেওয়া হয়। পুলিশ, বিএসএফ, সিআরপিএফ, সিআইএসএফ বা আইটিবিপির ক্ষেত্রেও শরীরের ঢাকা অংশে থাকা ট্যাটু গ্রহণযোগ্য হতে পারে।
রেলওয়ে, এসএসসি বা ব্যাঙ্কিংয়ের মতো চাকরিতে দৃশ্যমান ও আপত্তিকর ট্যাটু কঠোরভাবে এড়ানো হয়। তবে সাধারণ ও ঢাকা যায় এমন ট্যাটু অনেক ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য হতে পারে।
যদি কেউ ট্যাটু করিয়ে পরে তা সরিয়ে ফেলেন, তাহলে চাকরির সুযোগ একেবারে শেষ হয়ে যায় না। মেডিক্যাল বা শারীরিক পরীক্ষায় ট্যাটু দৃশ্যমান না থাকলে অনেক ক্ষেত্রেই তা গ্রহণ করা হয়। তাই সরকারি চাকরির লক্ষ্য থাকলে ট্যাটু করার আগে সংশ্লিষ্ট বিভাগের নিয়ম জেনে নেওয়াই সবচেয়ে ভালো।


