Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ভারত রবিবার পাকিস্তানের সেই অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে খারিজ করে দিয়েছে, যেখানে করাচির সাম্প্রতিক জঙ্গি হামলার সঙ্গে ভারতের যোগসূত্রের দাবি করা হয়েছিল(Indo Pak)। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এই অভিযোগকে “ভিত্তিহীন” বলে উল্লেখ করেছেন।
পাকিস্তানকে কড়া বার্তা (Indo Pak)
রণধীর জয়সওয়াল বলেন, অন্যের দিকে আঙুল তোলার বদলে পাকিস্তানের উচিত নিজেদের দেশের জঙ্গি অবকাঠামোর বিরুদ্ধে বিশ্বাসযোগ্য পদক্ষেপ নেওয়া। তিনি আরও বলেন, সন্ত্রাসবাদকে রাষ্ট্রনীতির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার প্রবণতা থেকেও পাকিস্তানের সরে আসা প্রয়োজন।
করাচিতে কী ঘটেছিল?
পাকিস্তানের দাবি, শনিবার রাতে করাচির গুলিস্তান-ই-জওহর এলাকায় সিন্ধ রেঞ্জার্সের ভিট্টাই উইং সদর দফতরে জঙ্গিরা হামলা চালায়। প্রায় ৯০ মিনিট ধরে চলা অভিযানে ছয় জঙ্গি নিহত হয় এবং একজনকে জীবিত আটক করা হয়।
হতাহতের ঘটনা
পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, হামলায় চারজন সিন্ধ রেঞ্জার্স সদস্য নিহত হন। হামলার দায় স্বীকার করেছে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান (টিটিপি)-র শাখা জামাত-উল-আহরার।
পাল্টা অভিযান
হামলার পর স্পেশাল সিকিউরিটি ইউনিট (এসএসইউ), অ্যান্টি-টেররিস্ট ফোর্স (এটিএফ) এবং রেঞ্জার্স যৌথভাবে অভিযান চালায়। পুরো এলাকা ঘিরে ফেলা হয় এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের ঘরের বাইরে না বেরোনোর পরামর্শ দেওয়া হয়। গুলির লড়াই ও বিস্ফোরণের মধ্যে কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহও বন্ধ হয়ে যায়।
কীভাবে হামলা চালানো হয়?
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, হামলাকারীরা একটি গাড়ি দিয়ে রেঞ্জার্স কম্পাউন্ডের প্রধান গেট ভেঙে ভেতরে ঢোকে। এরপর তারা হ্যান্ড গ্রেনেড ছুড়ে একাধিক বিস্ফোরণ ঘটায়।
দীর্ঘ বিরতির পর বড় হামলা (Indo Pak)
অক্টোবর ২০২৪-এ করাচি বিমানবন্দরের কাছে দুই চীনা প্রকৌশলী নিহত হওয়ার ঘটনার পর এটিই শহরে প্রথম বড় জঙ্গি হামলা। এর আগে ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে টিটিপি করাচি পুলিশ অফিসে হামলা চালিয়েছিল।
আরও পড়ুন: Sheikh Hasina: এ বছরই বাংলাদেশে ফিরবেন শেখ হাসিনা : ‘মৃত্যুদণ্ডের রায়েও ভয় নেই’
ভারতের অবস্থান (Indo Pak)
ভারত স্পষ্ট জানিয়েছে, করাচি হামলায় ভারতের জড়িত থাকার অভিযোগের কোনও ভিত্তি নেই এবং পাকিস্তানের উচিত সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় নিজেদের দায়িত্ব পালন করা।



